ভোটে অনিয়ম ও হামলার অভিযোগ ইসলামী আন্দোলনের
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন চলাকালে দেশের বিভিন্ন স্থানে অনিয়ম ও হামলার অভিযোগ তুলেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দলটির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় এসব অভিযোগ করেন।
তিনি দাবি করেন, পটুয়াখালী-৪ আসনের বিভিন্ন কেন্দ্র ও এলাকায় বিএনপি সমর্থকরা হাতপাখা প্রতীকের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। ভোলা-১ আসনে “বহু কেন্দ্রে আগেই ভোট হয়ে গেছে” বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
ময়পুর মেমোরিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে পোলিং এজেন্টদের মারধর করে বের করে দেওয়া এবং জাল ভোট দেওয়ার অভিযোগও তোলেন শেখ ফজলুল করীম মারুফ। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ভোলা-১ আসনের ভেদুরিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ব্যাংকের হাট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে জামায়াতের নারী এজেন্টরা ভোটারদের ব্যালট নিয়ে নিজেদের প্রতীকে সিল দিয়েছেন।
এ ছাড়া ভোলা-১ আসনের উত্তর দিঘোলদী ৭ নম্বর ওয়ার্ডে ইসলামী আন্দোলনের জেলা উত্তরের সেক্রেটারি ও প্রার্থীর নির্বাচনি এজেন্টসহ পর্যবেক্ষক দলকে স্থানীয় বিজেপি নেতাকর্মীরা দীর্ঘ সময় অবরুদ্ধ করে রাখে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে তাদের উদ্ধার করা হয় বলে দাবি দলের।
ভোলা-৪ আসনের চরকলমী ইউনিয়নের ৬০ ও ৬১ নম্বর কেন্দ্রে ভোট কারচুপিতে বাধা দেওয়ায় বিএনপি কর্মীরা হাতপাখার নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এতে কয়েকজন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বলে জানিয়েছে দলটি।
নরসিংদী-৫ আসনের রায়পুরায় ভোট চুরিতে বাধা দেওয়ায় ইসলামী আন্দোলনের এক এজেন্টকে পিটিয়ে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। পাশাপাশি ঝালকাঠি-১ আসনের রাজাপুর থানার বড়ইয়া ইউনিয়নে দলের এজেন্টদের কুপিয়ে জখম ও কেন্দ্র থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।
ইসলামী আন্দোলন জানিয়েছে, এসব ঘটনা স্থানীয় প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছেও লিখিত অভিযোগ দেওয়া হবে।
তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।


