জুলাই সনদে স্বাক্ষর করতে যমুনায় যাচ্ছে এনসিপি প্রতিনিধি দল
জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করতে আজ সন্ধ্যা ৬টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)–এর একটি প্রতিনিধি দল। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দলটির এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।
বার্তায় বলা হয়েছে, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম–এর নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে থাকবেন সারোয়ার তুষার, মনিরা শারমিন, জাবেদ রাসিন ও অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মূসা।
দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রকাশিত জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে প্রাধান্য দিয়ে স্বাক্ষরকারীরা জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫ বাস্তবায়নে সাত দফা অঙ্গীকার করেছেন।
সাত দফা অঙ্গীকার
১. ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে আত্মদান ও ত্যাগের ভিত্তিতে প্রণীত এবং ঐকমত্যের মাধ্যমে গৃহীত জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫ পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা।
২. জনগণের অভিপ্রায়কে সর্বোচ্চ আইন হিসেবে বিবেচনা করে সনদটি সংবিধানে তফসিল হিসেবে বা যথোপযুক্তভাবে সংযুক্ত করা।
৩. সনদের বৈধতা নিয়ে আদালতে প্রশ্ন না তোলা এবং এর বাস্তবায়নে আইনি ও সাংবিধানিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
৪. গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় দীর্ঘ সংগ্রাম এবং ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক গুরুত্বকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া।
৫. গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের বিচার নিশ্চিত করা; শহীদদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদান; পরিবারগুলোর সহায়তা এবং আহতদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা।
৬. সংবিধান, নির্বাচন ব্যবস্থা, বিচার ব্যবস্থা, জনপ্রশাসন, পুলিশি কাঠামো ও দুর্নীতি দমন ব্যবস্থাসহ রাষ্ট্রীয় কাঠামোর প্রয়োজনীয় সংস্কার বাস্তবায়নে আইন সংশোধন বা নতুন আইন প্রণয়ন করা।
৭. অবিলম্বে বাস্তবায়নযোগ্য সিদ্ধান্তগুলো দ্রুততম সময়ে অন্তর্বর্তী সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে কার্যকর করা।
দলীয় সূত্র বলছে, জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে সনদ বাস্তবায়নকে গণতান্ত্রিক রূপান্তরের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখছে এনসিপি।


