শহীদ মিনারে ঘিরে ১৫ হাজার পুলিশ, থাকছে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটও
মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় প্রায় ১৫ হাজার পুলিশ সদস্যের সমন্বয়ে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি জানান, একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ব্যাপক জনসমাগম হবে। সে কারণে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও আশপাশের এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে।

ডিএমপি কমিশনার জানান, নিরাপত্তা ব্যবস্থায় থাকছে সোয়াট টিম, ডগ স্কোয়াড, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট, ক্রাইম সিন ইউনিট, গোয়েন্দা নজরদারি ও সাইবার মনিটরিং।
সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুক– এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব
পুলিশের পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবকরাও দায়িত্ব পালন করবেন।
তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচনের মতোই একুশের অনুষ্ঠানও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে এবং বর্তমানে কোনো নিরাপত্তা শঙ্কা নেই।
শ্রদ্ধা জানাতে আসা সাধারণ মানুষকে নির্ধারিত রুট অনুসরণের আহ্বান জানানো হয়েছে।
প্রবেশপথ:
পলাশী মোড় → জগন্নাথ হল ক্রসিং → শহীদ মিনার
প্রস্থানপথ:
রোমানা ক্রসিং হয়ে → দোয়েল চত্বর অথবা চানখাঁরপুল
নিরাপত্তার স্বার্থে অন্য কোনো পথ ব্যবহার না করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শুক্রবার সন্ধ্যার পর থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় যান চলাচলে ডাইভারশন থাকবে।
যেসব মোড়ে ডাইভারশন কার্যকর থাকবে:
শাহবাগ ক্রসিং, নীলক্ষেত ক্রসিং, শহীদুল্লাহ হল ক্রসিং, হাইকোর্ট ক্রসিং, চানখাঁরপুল ক্রসিং, পলাশী ক্রসিং, বকশিবাজার ক্রসিং।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও বাসিন্দাদের ট্রাফিক নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।
শহীদ মিনারে কেউ যেন কোনো ধরনের ধারালো বস্তু, দাহ্য পদার্থ বা বিস্ফোরক দ্রব্য বহন না করেন—এ আহ্বান জানানো হয়েছে। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দ্রুত প্রস্থান করে অন্যদের সুযোগ করে দিতে অনুরোধ করা হয়েছে।
একুশের প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় ব্যক্তিবর্গ ও বিদেশি কূটনীতিকরা শ্রদ্ধা জানাবেন। তাদের আনুষ্ঠানিকতা শেষে শহীদ মিনার সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।

