সংসদীয় কর্মকাণ্ড নিয়ে দলীয় এমপি-মন্ত্রীদের ২ দিনের প্রশিক্ষণ দেবে বিএনপি

রাজনীতি
সংসদীয় কর্মকাণ্ড নিয়ে দলীয় এমপি-মন্ত্রীদের ২ দিনের প্রশিক্ষণ দেবে বিএনপি
নিউজ ডেস্ক
৪ মার্চ ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনকে সামনে রেখে বিএনপি তাদের সংসদ সদস্য ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের সংসদীয় রেওয়াজ এবং মন্ত্রণালয় পরিচালনায় দক্ষ করে তোলার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে।

দল জানিয়েছে, আগামী ৬ ও ৭ মার্চ দুই দিনব্যাপী কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। গুলশানের বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালার উদ্বোধন করবেন দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আগামী ১২ মার্চ ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করেছেন। এই অধিবেশনকে কেন্দ্র করেই নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ও মন্ত্রীদের জন্য এই নিবিড় প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে।

সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার প্রতীকে বিজয়ী ২০৯ জন সংসদ সদস্যের মধ্যে ১৪৬ জন প্রথমবারের মতো নির্বাচিত। এছাড়া সরকারের মন্ত্রিসভার অনেক মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীও এবারই প্রথম সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন।

নতুন সদস্য ও মন্ত্রিদের অভিজ্ঞতা না থাকার কারণে কর্মশালায় মূলত দেওয়া হবে সংসদের কার্যপ্রণালি ও আচরণবিধি, বিল প্রণয়ন ও পর্যালোচনা, বাজেট-সংক্রান্ত নথি বিশ্লেষণ, নীতিগত প্রস্তাব যাচাই-বাছাই, মন্ত্রণালয় পরিচালনা এবং সরকারের কার্যক্রমে দক্ষতা বৃদ্ধি।

অভিজ্ঞ সংসদ সদস্যরা তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরবেন এবং দিকনির্দেশনা দেবেন। এছাড়া দুর্নীতি প্রতিরোধ, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার কৌশল নিয়েও আলোচনা হবে।

কর্মশালার সময়সূচি

  • ৬ মার্চ:

    • সকাল ১০:৩০–১২:৩০: মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টাদের অংশগ্রহণ

    • বিকেল ২:৩০–৪:৩০: রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও ফরিদপুর বিভাগের সংসদ সদস্যদের অংশগ্রহণ

  • ৭ মার্চ:

লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম জানিয়েছেন, ৭ মার্চ বিকেল ২:৩০টার মধ্যে তাকে দলের কার্যালয়ে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন জানিয়েছেন, এখনও কর্মশালার নির্দিষ্ট অ্যাজেন্ডা চূড়ান্ত হয়নি। তবে অংশগ্রহণকারীরা পাবেন দিকনির্দেশনা সংসদীয় স্থায়ী কমিটির কার্যক্রম, পয়েন্ট অব অর্ডার, বাজেট বরাদ্দ, আর্থিক শৃঙ্খলা এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, পাশাপাশি সংসদ সদস্যের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কেও।

নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন ও স্থানীয় সরকারের কার্যক্রম তদারকির বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হবে।