জিয়াউর রহমানের আদর্শ নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা: প্রেসিডেন্ট
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান-এর ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তার অমর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিন।
বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, জিয়াউর রহমানের কর্মময় জীবন, দেশপ্রেম, সততা, ন্যায়বোধ এবং স্বনির্ভর উন্নয়নের দর্শন নতুন প্রজন্মের জন্য চিরকাল অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
তিনি জিয়াউর রহমানকে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনানায়ক, স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক এবং আধুনিক বাংলাদেশের অন্যতম স্থপতি হিসেবে উল্লেখ করেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে তার প্রতিরোধের আহ্বান মুক্তিকামী জনগণকে সাহস ও দিকনির্দেশনা দিয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি ‘বীর উত্তম’ খেতাবে ভূষিত হন।
বাণীতে আরও বলা হয়, স্বাধীনতার পর রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সংকটময় পরিস্থিতিতে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে জিয়াউর রহমান জাতিকে নতুন পথের দিশা দেখান। তিনি দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, বাক ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে জাতীয় ঐক্য গঠনে ভূমিকা রাখেন।
রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, কৃষি উন্নয়ন, খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি, খাল খনন, গ্রামীণ উন্নয়ন, পরিবার পরিকল্পনা ও গণশিক্ষাসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে জিয়াউর রহমান সাধারণ মানুষকে উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করেছিলেন। তার ঘোষিত ১৯ দফা কর্মসূচিকে একটি উৎপাদনমুখী ও আত্মনির্ভর বাংলাদেশ গঠনের রূপরেখা বলেও অভিহিত করা হয়।
বাণীতে রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতির মাধ্যমে জিয়াউর রহমান মুসলিম বিশ্ব, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, চীন ও পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক জোরদার করেছিলেন। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের শ্রমবাজার সম্প্রসারণেও তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।
বাণীর শেষাংশে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শহীদ প্রেসিডেন্টের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং মহান আল্লাহর কাছে তার জন্য জান্নাতুল ফেরদৌসের উচ্চ মর্যাদা প্রার্থনা করেন।


