তামাক নিয়ন্ত্রণে শক্ত আইন প্রণয়নের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

অন্যান্য
তামাক নিয়ন্ত্রণে শক্ত আইন প্রণয়নের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
নিউজ ডেস্ক
১৫ জুন ২০২৬

তামাকজাত পণ্যের ব্যবহার জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি উল্লেখ করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, তামাক একটি মারাত্মক আসক্তি, যা মানবদেহের প্রায় সব অঙ্গের ক্ষতি করে। এ কারণে তামাক নিয়ন্ত্রণে বিদ্যমান আইন আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সোমবার (১৫ জুন) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব শুধু ধূমপায়ীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, এটি পরিবার ও সমাজের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তামাক ব্যবহারের ফলে বিভিন্ন ধরনের ক্যানসার, হৃদরোগ এবং শ্বাসতন্ত্রের জটিল রোগের ঝুঁকি বাড়ে। বিদ্যমান আইনের কিছু সীমাবদ্ধতার কারণে অপরাধীরা অনেক সময় শাস্তি এড়িয়ে যেতে সক্ষম হয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

ই-সিগারেট নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, এ বিষয়ে সরকারের মধ্যে আলোচনা চলছে এবং পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

স্বাস্থ্যসেবা খাতের অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, জনগণের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে কোনো ধরনের অবহেলা বা অনিয়ম বরদাশত করা হবে না। স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে দায়িত্বহীনতার প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে হামের টিকাদান কর্মসূচি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশব্যাপী পরিচালিত টিকাদান কার্যক্রমে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি অর্জন হয়েছে। নিয়মিত ইপিআই কার্যক্রমের পাশাপাশি বিশেষ উদ্যোগের মাধ্যমে শিশুদের টিকার আওতায় আনা হয়েছে।

তিনি জানান, সাম্প্রতিক সময়ে হামের সংক্রমণ নিয়ে উদ্বেগ থাকলেও গত এক সপ্তাহে মৃত্যুর হার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সময়মতো চিকিৎসা, টিকাদান এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের সক্রিয় ভূমিকার কারণে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যসচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাসসহ স্বাস্থ্য খাতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।