সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেপ্তার করল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
বুধবার (২৯ জুলাই) রাজধানীর গুলশানের নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এর আগে বুধবার সকালে শাহবাগ থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা একটি মামলায় আদালতে হাজিরা দেন সাবেক এই মন্ত্রী। পরে আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি জানান, ২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিনি ১০ নম্বর আসামি।
লতিফ সিদ্দিকী বলেন, পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার না করলে আগামী সপ্তাহে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গিয়ে আত্মসমর্পণ করার পরিকল্পনা ছিল তার।
গত সোমবার (২৭ জুলাই) প্রসিকিউশনের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
এই মামলায় আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, ড. মহিউদ্দিন খান আলমগীর, শামসুল হক টুকু, হাসানুল হক ইনু, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, জাহাঙ্গীর কবির নানক, ডা. দীপু মনি, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়াসহ সাবেক কয়েকজন মন্ত্রী ও রাজনৈতিক নেতা।
এ ছাড়া মামলার আসামিদের তালিকায় রয়েছেন সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ, সাবেক আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক, বেনজীর আহমেদ, জিয়াউল আহসানসহ পুলিশের সাবেক কয়েকজন কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও অন্যান্য ব্যক্তি।
এ মামলায় এর আগে নয়জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেন—সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান, সাবেক আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক, শাহরিয়ার কবির, সাবেক ডিআইজি আব্দুল জলিল মণ্ডল, সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবু।


