ইউক্রেনে রাশিয়ার ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ১৪

ইউক্রেনে রাশিয়ার ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ১৪
৩০ জুলাই ২০২৬

ইউক্রেনের বিভিন্ন অঞ্চলে রাশিয়ার ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হামলায় অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে রাজধানী কিয়েভের একজন এবং প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির জন্মশহর ক্রিভি রিহে দুই শিশুসহ কয়েকজন রয়েছেন। হামলায় আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ।

আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি একদিন আগেই সতর্ক করেছিলেন, রাশিয়া শিগগিরই বড় ধরনের হামলা চালাতে পারে। তার এমন সতর্কবার্তার পরদিন বৃহস্পতিবার ভোরে ইউক্রেনের বিভিন্ন অঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হামলা চালানো হয়।

সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

স্থানীয় সময় রাত ১টার পর রাজধানী কিয়েভে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। ইউক্রেনের জরুরি সেবা বিভাগ জানিয়েছে, কিয়েভে হামলায় একজন নিহত এবং দুজন আহত হয়েছেন।

দিনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলে দুই শিশুসহ অন্তত ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া পোলতাভা অঞ্চলেও একজন নিহত হওয়ার খবর জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

ক্রিভি রিহে দুই শিশুসহ ছয়জন নিহত

জেলেনস্কির জন্মশহর ক্রিভি রিহে রুশ ইস্কান্দার-এম ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সরাসরি আঘাতে পাঁচ ও ১২ বছর বয়সী দুই শিশুসহ ছয়জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত আটজন আহত হয়েছেন।

শহরের প্রতিরক্ষা কাউন্সিলের প্রধান ওলেক্সান্দর ভিলকুল জানান, ক্ষেপণাস্ত্রটি রাশিয়ার ভোরোনেঝ অঞ্চল থেকে ছোড়া হয়েছিল। এটি একটি বড় পরিবারের বাড়িতে সরাসরি আঘাত হানে।

তিনি বলেন, ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ এখনো চলছে। ফলে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

লভিভে ক্ষতিগ্রস্ত আবাসিক ভবন, আহত অন্তত ২৬

ইউক্রেনের পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর লভিভেও রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় দুটি আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ঘটনায় অন্তত ২৬ জন আহত হয়েছেন।

ধ্বংসস্তূপের নিচে কেউ আটকা পড়ে আছেন কি না, তা নিশ্চিত হতে উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন।

রুশ হামলার প্রভাব ইউক্রেনের পশ্চিম সীমান্ত পর্যন্ত পৌঁছালে প্রতিবেশী পোল্যান্ড নিজেদের আকাশসীমার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুদ্ধবিমান মোতায়েন করে।

ইউক্রেনের বিভিন্ন অঞ্চলে হামলার পর নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে। উদ্ধারকাজ চলমান থাকায় হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির সর্বশেষ তথ্য পরিবর্তিত হতে পারে।