একসঙ্গে ২ লাখ ভিসা বাতিলের পথে যুক্তরাষ্ট্র

একসঙ্গে ২ লাখ ভিসা বাতিলের পথে যুক্তরাষ্ট্র
২৫ আগস্ট ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয়ের আবেদন করেছেন বা বর্তমানে আশ্রয় চাইছেন—এমন সর্বোচ্চ ২ লাখ বিদেশি নাগরিকের ব্যবসায়িক ও পর্যটন ভিসা বাতিলের প্রস্তুতি নিচ্ছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে এটি হবে মার্কিন ইতিহাসে একসঙ্গে সবচেয়ে বড় ভিসা বাতিলের ঘটনা।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের নথি ও কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, ২০১৬ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে ইস্যু করা বি-১ (ব্যবসায়িক) ও বি-২ (পর্যটন) ভিসাধারীদের মধ্যে যারা যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে পরে আশ্রয়ের আবেদন করেছেন বা বর্তমানে আশ্রয়প্রক্রিয়ায় রয়েছেন, তাদের এই উদ্যোগের আওতায় আনা হতে পারে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, ঠিক কতজনের ভিসা বাতিল করা হবে, তা এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি। তবে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিবেদনে সম্ভাব্য সংখ্যা প্রায় ২ লাখ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে। প্রশাসনের যুক্তি, অস্থায়ী ব্যবসায়িক ও পর্যটন ভিসা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের পর আশ্রয়ের আবেদন করে দেশটিতে দীর্ঘদিন থাকার প্রবণতা ঠেকানো এবং অভিবাসন ব্যবস্থার অপব্যবহার রোধ করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য।

তবে ভিসা বাতিল হলেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের তাৎক্ষণিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার করা হবে—এমন নয়। যাদের আশ্রয়ের আবেদন প্রক্রিয়াধীন, তাদের অনেকের ভিসার মর্যাদা পরিবর্তিত হতে পারে। ফলে তারা ব্যবসা বা পর্যটনের জন্য বি-১/বি-২ ভিসার সুবিধা হারাবেন।

ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসনবিরোধী কঠোর নীতির অংশ হিসেবে এরই মধ্যে বিপুলসংখ্যক ভিসা বাতিল করা হয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, প্রশাসন দায়িত্ব নেওয়ার পর ১ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি বিদেশি নাগরিকের ভিসা বাতিল করা হয়েছে।

সর্বোচ্চ ২ লাখ ভিসা বাতিলের এই পরিকল্পনা কার্যকর হলে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতিতে এটি হবে বড় ধরনের পদক্ষেপ এবং এর বিরুদ্ধে আইনি চ্যালেঞ্জও তৈরি হতে পারে।