ইমরান খান ইস্যুতে ক্রিকেটারদের সতর্ক করল পিসিবি

ইমরান খান ইস্যুতে ক্রিকেটারদের সতর্ক করল পিসিবি
৩১ আগস্ট ২০২৬

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে চলমান টেস্ট সিরিজে থাকা পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের সাবেক অধিনায়ক ইমরান খানের কারাবাস ও স্বাস্থ্য নিয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য না করার পরামর্শ দিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।

ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআইয়ের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইমরান খানের দীর্ঘদিনের কারাবাস এবং শারীরিক অবস্থা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উদ্বেগ বাড়ছে। লর্ডসে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট চলাকালে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। লাঞ্চ বিরতিতে স্কাই স্পোর্টস ইমরান খানের দুই ছেলে সুলেমান ও কাসিম খানের একটি সাক্ষাৎকার প্রচার করে। ইংল্যান্ডের সাবেক ব্যাটার মাইক আথারটন সাক্ষাৎকারটি নেন।

সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

পিটিআইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাক্ষাৎকারটি নিয়ে অসন্তুষ্ট ছিল পিসিবি। বোর্ডের দৃষ্টিতে এটি রাজনৈতিক বক্তব্যসংবলিত সাক্ষাৎকার। তবে বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্য বিরোধে না গিয়ে ক্রিকেটারদের ইমরান খানের বিষয়ে মন্তব্য থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

পাকিস্তান দলের প্রধান কোচ সরফরাজ আহমেদের কাছে সংবাদ সম্মেলনে জানতে চাওয়া হয়, ক্রিকেটাররা ইমরান খানের ছেলেদের সাক্ষাৎকারটি দেখেছেন কি না। জবাবে তিনি বলেন, সাক্ষাৎকার প্রচারের সময় খেলোয়াড়রা লাঞ্চে ছিলেন। ফলে এ বিষয়ে তারা কিছুই জানতেন না।

এদিকে সাক্ষাৎকারটি প্রচার করা হলে লাঞ্চের পর পাকিস্তান দলকে মাঠে না নামানোর হুমকি দেওয়া হয়েছিল—এমন খবরও প্রকাশিত হয়। এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলেও সরফরাজ বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি।

পিটিআই জানিয়েছে, এরপরই দলের খেলোয়াড়দের ইমরান খানের কারাবাস নিয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য না করার পরামর্শ দেয় পিসিবি। এমন সময়ে এই নির্দেশনা দেওয়া হলো, যখন সাবেক ক্রিকেটারসহ বিভিন্ন মহল ইমরান খানের স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাসেবা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছেন।

৭৩ বছর বয়সী ইমরান খান ২০২৩ সাল থেকে রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে বন্দি রয়েছেন। দুর্নীতির মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে তিনি কারাগারে গেলেও নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।

১৯৯২ সালে পাকিস্তানকে বিশ্বকাপ জেতানো অধিনায়ক ইমরান খান দেশটির ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সফল ও জনপ্রিয় খেলোয়াড়। পরবর্তী সময়ে রাজনীতিতে প্রবেশ করে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীও হন তিনি। ফলে তার রাজনৈতিক অবস্থান ও কারাবাসের বিষয়টি এখন ক্রিকেট অঙ্গনেও ক্রমেই আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসছে।