১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ অস্বীকার করলেন আসিফ মাহমুদ

জাতীয়
১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ অস্বীকার করলেন আসিফ মাহমুদ
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অস্ট্রেলিয়া, দুবাই ও সিঙ্গাপুরসহ বিভিন্ন দেশে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নতুন অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি অভিযোগ করেন, প্রয়োজনীয় সংস্কার না হওয়ায় দুদক এখনো আগের মতোই রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

আসিফ মাহমুদ বলেন, দুদকের কাঠামোগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার না হওয়ায় সংস্থাটি এখনো রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত হতে পারেনি। অতীতের মতোই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দুদককে ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

সংবাদ সম্মেলনে সরকারের অর্থনৈতিক নীতি ও কর্মসংস্থান পরিস্থিতিরও সমালোচনা করেন এনসিপির এই নেতা। তিনি বলেন, ক্ষমতায় আসার আগে তরুণদের জন্য এক কোটি কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবে সেই প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। বরং চাঁদাবাজির সুযোগ তৈরি করে নিজেদের দলের প্রায় ৫০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এ সময় নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের প্রকাশ্যে মিছিলের বিষয়েও কথা বলেন আসিফ মাহমুদ। তিনি বলেন, এ ধরনের কর্মসূচি সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের হুমকি তৈরি করছে।

নিষিদ্ধ সংগঠনের তৎপরতা ও নৈরাজ্যমূলক মিছিল প্রতিহত করতে বিএনপির পক্ষ থেকে দৃশ্যমান ও কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না বলেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়েও এনসিপির অবস্থান তুলে ধরা হয়। দলের মুখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দীন পাটোয়ারী জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এনসিপি এককভাবে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তবে নির্বাচনে কোনো অপশক্তি কেন্দ্র দখল, ভোটে অনিয়ম বা অন্য কোনো ধরনের কারচুপির চেষ্টা করলে যুগপৎ আন্দোলনে থাকা ১১টি দল ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে তা প্রতিহত করবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

এনসিপির নেতারা বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে দলীয়ভাবে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে নির্বাচনী পরিবেশ নষ্টের যেকোনো প্রচেষ্টা রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলার কথাও জানান তারা।