জাতীয় ঐকমত্যের দ্বিতীয় ধাপে রাজনৈতিক সংলাপ, উপস্থিত বিএনপি-জামায়াতসহ একাধিক দল
রাজনৈতিক সংকট নিরসনে জাতীয় ঐকমত্য গঠনের লক্ষ্যে দ্বিতীয় ধাপের সংলাপে বসেছে অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্বাধীন ‘জাতীয় ঐকমত্য কমিশন’। সোমবার (২ জুন) বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে শুরু হয় গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠক।
বৈঠকে নেতৃত্ব দেন প্রধান উপদেষ্টা ও শান্তিতে নোবেলজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। বিকেল ৪টা ৪৬ মিনিটে তিনি বৈঠকস্থলে প্রবেশ করেন।
এদিন দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও দুটি জোটের প্রতিনিধিরা বৈঠকে অংশ নেন। শুরুতে নির্ধারিত কিছু দলের বাইরে আরও কয়েকটি দলকে শেষ মুহূর্তে আমন্ত্রণ জানানো হয়, যার মধ্যে রয়েছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ও ইসলামী ঐক্যজোট।
প্রতিনিধি পর্যায়ে উপস্থিত ছিলেন:
-
বিএনপি: স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, রুহুল কুদ্দুস কাজল
-
জামায়াতে ইসলামী: ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, রফিকুল ইসলাম খান, হামিদুর রহমান আজাদ
-
এনসিপি: নাহিদ ইসলাম, আখতার হোসেন, সরোয়ার তুষার
-
গণসংহতি আন্দোলন: জোনায়েদ সাকি
-
গণঅধিকার পরিষদ: নুরুল হক নুর
-
লেবার পার্টি: মোস্তাফিজুর রহমান ইরান
-
খেলাফত মজলিস: ড. আহমদ আব্দুল কাদের
-
সিপিবি: সাজেদুল হক রুবেল
-
বাসদ: বজলুর রশিদ ফিরোজ
-
এবি পার্টি: আসাদুজ্জামান ফুয়াদ
-
নাগরিক ঐক্য: সাকিব আনোয়ার
-
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি: সাইফুল হক
-
এলডিপি: চৌধুরী হাসান সারওয়ার্দী
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের উদ্দেশ্য হলো একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন ও রাজনৈতিক শান্তিপূর্ণ পরিবেশ তৈরির পথ খুঁজে বের করা। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিক সংলাপের মধ্য দিয়ে একটি গ্রহণযোগ্য রোডম্যাপ তৈরি করার লক্ষ্য নিয়েই এগোচ্ছে কমিশন।
কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজসহ অন্যান্য সদস্যরাও এসময় উপস্থিত ছিলেন।
বিশ্লেষকদের মতে, জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার এই প্রক্রিয়া রাজনৈতিক অচলাবস্থা নিরসনে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হলেও এতে সব দল একমত হবে কি না, তা সময়ই বলে দেবে।


