ময়মনসিংহে কমেছে সবজি ও মাংসের দাম
ময়মনসিংহ শহরের শম্ভুগঞ্জ বাজারে সবজির দাম কমতে শুরু করেছে। শসা, কাঁচামরিচ, করলাসহ বিভিন্ন মৌসুমি সবজির দাম কমায় খুশি ক্রেতারা। তবে মাছের বাজারে এখনো অস্থিরতা রয়ে গেছে। মাংস ও ডিমের দামেও সামান্য হ্রাস দেখা যাচ্ছে।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে,
শসা: ৬০ টাকা → এখন ৪০ টাকা/কেজি, কাঁচামরিচ: ১৭০ টাকা → এখন ১৪০ টাকা/কেজি, করলা: ১০০ টাকা → এখন ৯০ টাকা/কেজি, চায়না গাজর: ১৪০ টাকা → এখন ১৩০ টাকা/কেজি, ঝিঙে, ঢ্যাঁড়শ, বেগুন, টমেটোতেও ১০ টাকা হারে দাম কমেছে।
তবে কিছু সবজির দাম এখনো অপরিবর্তিত:
শিম: ১৯০ টাকা/কেজি, কচুরমুখী: ৩০ টাকা/কেজি, কাঁচা কলা (হালি): ৪০ টাকা, লেবু (হালি): ২০ টাকা
মাংস ও ডিমের দামে সামান্য স্বস্তি
ব্রয়লার মুরগি: ১৭০ → ১৬০ টাকা/কেজি, কক মুরগি: ৩১০ → ৩০০ টাকা/কেজি, গরুর মাংস: ৮০০ → ৭৮০ টাকা/কেজি, খাসির মাংস: ১২০০ → ১১৫০ টাকা/কেজি, ডিম (ফার্ম): ৪০ টাকা/হালি, দেশি ডিম ও হাঁসের ডিম: ৭০ টাকা/হালি
বাজারে মাছের দাম এখনো বেশ চড়া।
তেলাপিয়া: ২২০–৩০০ টাকা/কেজি, কাতলা: ৩৬০–৪২০ টাকা, শোল: ৬১০–৮৯০ টাকা, ট্যাংরা: ৫৫০–৮৭০ টাকা, পাবদা: ৪০০–৫২০ টাকা
ফরিদ মিয়া নামে এক ক্রেতা বলেন,
“সবজির দাম একটু একটু করে কমছে। আরও কমলে আমাদের মতো মানুষের স্বস্তি মিলবে।”
আজিজুর রহমান নামের এক মাছ ক্রেতা বলেন,
“মাছের বাজার আগুন! সরকার মনিটর না করলে এই দাম আমাদের খাওয়ার সামর্থ্য শেষ করে দেবে।”
বিক্রেতারা অবশ্য বলছেন, পাইকারি বাজারে দাম উঠানামা করছে, ফলে তাদেরও দাম সামঞ্জস্য রাখতে হয়।
মুরগি বিক্রেতা সাইদুল ইসলাম বলেন,
“এখন কিছুটা কমেছে ঠিকই, কিন্তু পাইকারিভাবে আবার বাড়ার আভাস আছে। তখন আমরাও দাম বাড়াতে বাধ্য হব।”
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ময়মনসিংহ শাখার সহকারী পরিচালক মো. আব্দুস ছালাম বলেন,
“আমরা নিয়মিত বাজার মনিটরিং করছি। যারা অযৌক্তিকভাবে দাম বাড়াচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”


