চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলে ১৮ মাসের মধ্যে উৎপাদন দেখতে চান প্রধানমন্ত্রী

চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলে ১৮ মাসের মধ্যে উৎপাদন দেখতে চান প্রধানমন্ত্রী
২৭ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় নির্মাণাধীন চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনে (সিইআইজেড) আগামী ১৮ মাসের মধ্যেই প্রথম কারখানার উৎপাদন শুরু দেখতে চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই উৎপাদন শুরু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে প্রকল্পটির ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান।

সোমবার (২৭ জুলাই) আনোয়ারার বেলচূড়া এলাকায় বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক অঞ্চলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক চীন সফরে প্রকল্পটির অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বর্তমানে কাজের গতি দেখে মনে হচ্ছে, এক মাসেই এক বছরের সমপরিমাণ অগ্রগতি অর্জিত হচ্ছে।

সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

আশিক চৌধুরী জানান, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে চীনা ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান প্রথমে প্রকল্পটি চালু করতে তিন থেকে পাঁচ বছর সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছিলেন। তবে প্রধানমন্ত্রী ১৮ মাসের মধ্যে প্রথম কারখানার উৎপাদন শুরু করার লক্ষ্য নির্ধারণ করে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন। পরে ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানও সেই সময়সীমার মধ্যেই উৎপাদন শুরু করার অঙ্গীকার করে।

বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান বলেন, চীনা বিনিয়োগকারীরা শুধু বিনিয়োগই করবেন না, এর মাধ্যমে দেশের শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানও ত্বরান্বিত হবে। অর্থনৈতিক অঞ্চলটি চালু হলে হাজারো মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং আনোয়ারাসহ পুরো চট্টগ্রাম অঞ্চলের অর্থনৈতিক চিত্র বদলে যাবে।

তিনি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বাসিন্দাদের চীনা বিনিয়োগকারীদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, কোনো সমস্যা দেখা দিলে সবাইকে সমন্বয়ের মাধ্যমে তা দ্রুত সমাধান করতে হবে। বিদেশি বিনিয়োগ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও শিল্পায়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ করপোরেশনের (সিআরবিসি) কর্মকর্তারা, বেজার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী নেতা এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীরা উপস্থিত ছিলেন।