২০২৬ সালে ট্রাম্পকে নোবেল দিতে ‘পুরো বিশ্বকে এক করবে’ ইসরায়েল

২০২৬ সালে ট্রাম্পকে নোবেল দিতে ‘পুরো বিশ্বকে এক করবে’ ইসরায়েল
নিউজ ডেস্ক
১৩ অক্টোবর ২০২৫

২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে মনোনয়ন দেওয়ার লক্ষ্যে বিশ্বব্যাপী সমর্থন সংগ্রহের পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছে ইসরায়েল। দেশটির পার্লামেন্ট নেসেটে ট্রাম্পকে ‘শান্তির প্রেসিডেন্ট’ আখ্যা দিয়ে স্পিকার আমির ওহানা এই ঘোষণা দেন।

সোমবার (১৩ অক্টোবর) নেসেট অধিবেশনে এই ঘোষণা আসে, ঠিক তখনই যখন ভেনেজুয়েলার নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো চলতি বছরের নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন। ট্রাম্প এর আগেও একাধিকবার এ পুরস্কারের জন্য আলোচনায় এলেও এবার ইসরায়েল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচারণার অংশীদার হতে যাচ্ছে।

নেসেট অধিবেশনে স্পিকার আমির ওহানা বলেন,

সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

“বিশ্বে এমন কোনো ব্যক্তি নেই, যিনি শান্তি প্রতিষ্ঠায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের চেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন। ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতিতে তার কূটনৈতিক ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ।”

নেসেটের সদস্যরা দাঁড়িয়ে করতালির মাধ্যমে ট্রাম্পকে শুভেচ্ছা জানান। ওহানা আরও বলেন,

“শুধু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নয়, গোটা বিশ্বের জন্য ট্রাম্পের নেতৃত্ব ছিল যুগান্তকারী। মাত্র ৯ মাসের মধ্যে তিনি অন্তত আটটি যুদ্ধ পরিস্থিতি নিরসনে ভূমিকা রেখেছেন।”

তিনি জানান, মার্কিন হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের স্পিকার মাইক জনসনের সঙ্গে যৌথভাবে এই প্রচারণা চালাবেন তিনি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সংসদের স্পিকারদের সঙ্গে যোগাযোগ করে নোবেল মনোনয়নে ট্রাম্পের পক্ষে একতাবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানাবেন তারা।

“২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য আমরা ট্রাম্পের মনোনয়ন আনুষ্ঠানিকভাবে জমা দেবো। আমাদের বিশ্বাস, শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টার সর্বোচ্চ স্বীকৃতি পাওয়ার ক্ষেত্রে তার চেয়ে উপযুক্ত কেউ নেই,” — বলেন আমির ওহানা।

এই ঘোষণাকে ঘিরে ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার ঝড় উঠেছে। সমর্থকেরা একে শান্তির পুরস্কারের জন্য যুক্তিযুক্ত মনোনয়ন হিসেবে দেখলেও, সমালোচকেরা এটিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রসূত বলে মনে করছেন।