ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের আগে সৌদির বার্তা: ‘ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা চাই’

ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের আগে সৌদির বার্তা: ‘ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা চাই’
নিউজ ডেস্ক
১০ নভেম্বর ২০২৫

চলতি মাসে ওয়াশিংটন সফরে যাচ্ছেন সৌদির ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান (এমবিএস)। সফরকালে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। তবে সৌদি যুবরাজ যুক্তরাষ্ট্র সফরে গেলেও ইসরায়েলের সঙ্গে সহসাই সম্পর্ক স্থাপন হচ্ছে না বলে ইঙ্গিত দিয়েছে রিয়াদ। তারা বিশেষ বার্তায় জানিয়েছে, আগে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা চাই, তারপর ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক।

সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেওয়ার আগে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ চাই। রিয়াদের এক কূটনৈতিক সূত্র জানায়, “ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা নিশ্চিত না হলে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্কের প্রশ্নই আসে না।”

বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েল-সৌদি সম্পর্ক স্থাপিত হলে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক ভারসাম্যে বড় পরিবর্তন আসবে এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব আরও বাড়বে। তবে গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান ও আরব বিশ্বের জনমত এখনো এই প্রক্রিয়ার অন্তরায়।

সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা মনাল রাদওয়ান বলেন, “গাজা থেকে ইসরায়েলের প্রত্যাহার, আন্তর্জাতিক সুরক্ষা বাহিনীর মোতায়েন ও ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের ক্ষমতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা—এই তিনটি পদক্ষেপই ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের পূর্বশর্ত।”

অন্যদিকে, ওয়াশিংটন বৈঠকে ইসরায়েল ইস্যুর পাশাপাশি প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ও বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। একটি সীমিত প্রতিরক্ষা চুক্তি হতে পারে, যা পরবর্তীতে পূর্ণাঙ্গ চুক্তিতে রূপ নিতে পারে।

গালফ রিসার্চ ইনস্টিটিউটের প্রধান আবদুলআজিজ সাগর বলেন, “গাজা যুদ্ধের পর সৌদি আরব তার জাতীয় নিরাপত্তাকে নতুনভাবে মূল্যায়ন করছে। তবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ছাড়া সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণ অসম্ভব।”