কম্বোডিয়া সীমান্তে থাই বিমানহামলা, যুদ্ধবিরতি ভঙ্গের অভিযোগে নতুন উত্তেজনা
কম্বোডিয়ার সীমান্ত এলাকায় আবারও বিমান হামলা চালিয়েছে থাইল্যান্ড। এতে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা নতুন করে চরমে উঠেছে। উভয় পক্ষই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় হওয়া সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ একে অপরের বিরুদ্ধে তুলেছে।
গত মাসে কম্বোডিয়ার নতুনভাবে পাতা ল্যান্ডমাইনে থাইল্যান্ডের এক সেনা গুরুতর আহত হওয়ার পর থেকেই পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে ওঠে। সোমবারের হামলার পর সীমান্তে আবারও সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দুই প্রতিবেশীর সামরিক বাহিনী তুললে স্পষ্ট বৈষম্য চোখে পড়ে।
কম্বোডিয়ার সামরিক সক্ষমতা
প্রতিরক্ষা বাজেট (২০২৪): ১.৩ বিলিয়ন ডলার, সক্রিয় সেনাসদস্য: ১,২৪,৩০০, স্থলবাহিনী: প্রায় ৭৫ হাজার সদস্য, ট্যাঙ্ক: ২০০টির বেশি, আর্টিলারি: প্রায় ৪৮০, বিমানবাহিনী: ১,৫০০ সদস্য, বিমান বহর: যুদ্ধবিমান নেই; ১০ পরিবহন বিমান, ১০ হেলিকপ্টার, হেলিকপ্টার: ১৬টি মাল্টি-রোল (৬টি এমআই–১৭, ১০টি জেড–৯), নৌবাহিনী: ২,৮০০ সদস্য, জাহাজ: ১৩টি টহল ও উপকূলীয় যুদ্ধজাহাজ, ১টি ল্যান্ডিং ক্রাফট
থাইল্যান্ডের সামরিক সক্ষমতা
প্রতিরক্ষা বাজেট (২০২৪): ৫.৭৩ বিলিয়ন ডলার, সক্রিয় সেনাসদস্য: ৩,৬০,০০০-এর বেশি, স্থলবাহিনী: ২,৪৫,০০০, ট্যাঙ্ক: প্রায় ৪০০, সাঁজোয়া যান: ১,২০০-এর বেশি, আর্টিলারি: প্রায় ২,৬০০, বিমানবাহিনী: ৪৬,০০০ সদস্য, যুদ্ধবিমান: ১১২টি (যার মধ্যে ২৮টি এফ–১৬, ১১টি গ্রিপেন), নৌবাহিনী: প্রায় ৭০,০০০ সদস্য, জাহাজ: বিমানবাহী রণতরী, ৭টি ফ্রিগেট, ৬৮টি টহল–জাহাজ, অ্যাম্ফিবিয়াস ক্ষমতা: বৃহৎ ল্যান্ডিং শিপ ও ১৪টি ছোট ল্যান্ডিং ক্রাফট
থাইল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাটো-বহির্ভূত ঘনিষ্ঠ মিত্র, আর কম্বোডিয়া দীর্ঘদিন ধরেই চীনের কৌশলগত প্রভাবের আওতায়। ফলে সীমান্ত উত্তেজনা দীর্ঘস্থায়ী হলে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে বিশ্লেষকদের মত।


