দুই লাখ বাংলাদেশি নেওয়ার খবর নাকচ করল মালয়েশিয়া

দুই লাখ বাংলাদেশি নেওয়ার খবর নাকচ করল মালয়েশিয়া
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আগামী ছয় মাসে প্রায় দুই লাখ বাংলাদেশি কর্মী মালয়েশিয়ায় নেওয়া হবে—বাংলাদেশের এক প্রতিমন্ত্রীর এমন বক্তব্যকে নাকচ করেছে মালয়েশিয়া সরকার। দেশটির সরকারের মুখপাত্র ও যোগাযোগমন্ত্রী ফাহমি ফাদজিল জানিয়েছেন, এ ধরনের বক্তব্য বাংলাদেশ সরকারের আনুষ্ঠানিক অবস্থান নয়।

বুধবার মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। ফাহমি জানান, বিষয়টি নিয়ে তিনি মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ থেকে একজন প্রতিমন্ত্রী কর্মী নেওয়ার বিষয়ে একটি দাবি করেছেন। তবে সেটি বাংলাদেশ সরকারের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য নয়। মানবসম্পদমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে তিনি বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছেন বলেও জানান ফাহমি।

সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

এর আগে মঙ্গলবার বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছিলেন, সেপ্টেম্বরের শেষ দিক থেকে ধাপে ধাপে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে।

বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার শুহাদা ওসমানের সঙ্গে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আব্দুল মঈন খানের বৈঠকের পর সাংবাদিকদের কাছে এ তথ্য জানিয়েছিলেন তিনি।

মিয়ানমারের শরণার্থী প্রত্যাবাসন নিয়েও বক্তব্য

এদিকে মিয়ানমারে শরণার্থী প্রত্যাবাসনের নিরাপত্তা নিয়ে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের উদ্বেগের বিষয়েও কথা বলেছেন ফাহমি ফাদজিল।

মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ হাসানের বক্তব্য তুলে ধরে তিনি জানান, স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসন কর্মসূচির প্রথম ধাপে ১ হাজার ৪৭৬ জন শরণার্থী একটি নথিতে স্বাক্ষর করেছেন। এতে তারা স্বেচ্ছায় মিয়ানমারে ফিরে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

ফাহমি জানান, মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের হেফাজতে থাকা ১০ হাজারের বেশি মিয়ানমারের শরণার্থীর মধ্যে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যাচাই-বাছাই করে ৫ হাজার জনের একটি তালিকা তৈরি করে। পরে তালিকাটি মিয়ানমার দূতাবাসে পাঠানো হয়। সেখান থেকে মিয়ানমার সরকার ১ হাজার ৪৭৬ জনকে ফেরত নেওয়ার বিষয়ে সম্মতি দিয়েছে।

মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং বিশেষ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন যে প্রত্যাবাসনের পর এসব শরণার্থীর কোনো ক্ষতি হবে না এবং তারা মিয়ানমারে নিরাপদে থাকতে পারবেন বলেও জানান ফাহমি।