জুলাই ঘোষণাপত্র : যে সময়-যেখান থেকে ছাড়বে ট্রেন
আজ জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ’ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার জন্য সরকারের ব্যবস্থাপনায় সারাদেশ থেকে অংশ নিতে আটটি রুটের বরাদ্দ পেয়েছে ১৬টি বিশেষ ট্রেন। এতে প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে ছাত্র-জনতা রাজধানীতে এসে অংশ নেওয়া নিশ্চিত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
বাংলাদেশ রেলওয়ের উপপরিচালক (ট্রাফিক ট্রান্সপোর্টেশন) মো. খাইরুল কবিরের স্বাক্ষরাধীন নির্দেশনায় ট্রেনগুলো চালনার সময়সূচি ও রুট ঘোষণা করা হয়েছে। অগ্রিম নির্ধারিত যাত্রা ও প্রত্যাবর্তন—উভয়েই সারাদিনে সম্পন্ন হবে।
মূল রুটসমূহ ও সময়সুচি (সংক্ষিপ্ত):
-
চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা সকাল ৭:১৫ → বিকাল ১:১৫ এবং ঢাকা ফেরত সন্ধ্যা ৭:০০ → রাত ১:০০
-
সিলেট থেকে ঢাকা ভোর ৫:৪৫ → বিকাল ১:১৫ এবং দুপুর ৯:০০ ঢাকা ছাড় → পরের দিন ভোর ৪:৩০
-
রংপুর থেকে ঢাকা রাত ১১:৩০ (৪ অগাস্ট) → সকাল ৮:৫০ এবং সন্ধ্যা ৮:০০ ঢাকা ছাড় → পরের দিন ভোর ৫:০০ রংপুরে
-
অন্যান্য রুট: জয়দেবপুর, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, রাজশাহী ও ভাঙা—সমন্বিত সময় ও সময়ে রুটের মধ্যে যাত্রী বিনিময়সহ পরিকল্পনা যুক্ত।
প্রাথমিকভাবে এই ট্রেন আয়োজনের জন্য বরাদ্দ রাশি ৩০ লাখ ৪৬ হাজার টাকা, যা সরাসরি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বহন করবে।
-
চট্টগ্রাম রুট (১৬ কোচ) ভাড়া ধরা হয়েছে প্রায় ৭ লাখ টাকা
-
রংপুর রুটে (১৪ কোচ) নির্ধারিত ভাড়া ৫.৫ লাখ টাকা
-
অন্যান্য রুট ভিত্তিতে কোচ ও যাত্রীসংখ্যা অনুযায়ী খরচ নির্ধারণ করা হয়েছে।
রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম বলেন, “সরকার নিয়ম অনুযায়ী ট্রেন ভাড়া প্রদান করছে—রুট ও কোচ নির্ধারণ করা হয়েছে অনুমোদিত বাজেটের মধ্যেই।”
আলোচিত রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ নিশ্চিতে সরকার ও অন্যান্য দল নিয়মিত বিশেষ ট্রেন কর্মসূচি ব্যবহার করে।
গত রোববার (৩ আগস্ট) ছাত্রদলের শাহবাগ সমাবেশে চট্টগ্রাম থেকে ২০ কোচ বিশেষ ট্রেন ভাড়া করা হয়েছিল, খরচ হয়েছিল ২০ লাখের কাছাকাছি। তার আগে জামায়াতে ইসলামী ‘জাতীয় সমাবেশ’-এ প্রায় ৩২ লাখ টাকার টুল ভাড়া দেওয়া হয়েছিল।
বাংলাদেশ রেলওয়ে জানায়, সামাজিক সংগঠন বা রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় আবেদন করলে ট্রেন ব্যবস্থা করা হয়; তবে সাধারণ ভাড়ার প্রায় ৩০% বেশি পার্টিকুলার ভাড়া নির্ধারণ করা হয়।


