আসন পুনর্বহালের দাবিতে কুমিল্লা, নোয়াখালী ও বাগেরহাটে বিক্ষোভ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আসন পুনর্বিন্যাসের প্রস্তাবের প্রতিবাদে কুমিল্লা, নোয়াখালী ও বাগেরহাটে বিক্ষোভ, মানববন্ধন ও সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৬ আগস্ট) এসব কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা পুরনো আসন বিন্যাস বহালের দাবি জানান। একই সঙ্গে তারা বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেন।
কুমিল্লা-৯ আসন (সদর দক্ষিণ, লালমাই ও মহানগরের দক্ষিণ অংশ) পুনর্বহালের দাবিতে স্থানীয়রা বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। এতে সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। বিক্ষোভে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড নিয়ে অংশ নেন।
সর্বদলীয় সংগ্রাম কমিটির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ আখতার হোসেন বলেন, “এই লড়াই শুধু একটি আসনের জন্য নয়, এটি জনগণের ভোটাধিকার ও প্রতিনিধিত্ব রক্ষার আন্দোলন।”
তিনি আরও জানান, আগামী ১২ ও ১৩ আগস্ট লালমাই ও সদর দক্ষিণে বড় জনসভা করবে বিএনপি ও সংগ্রাম কমিটি।
নোয়াখালী-৪ আসন থেকে অশ্বদিয়া ও নেয়াজপুর ইউনিয়ন বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে শহরে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ করে দুই ইউনিয়নের শত শত বাসিন্দা। পরে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেন তারা।
পুলিশের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নিলেও বক্তারা বলেন, দাবি মানা না হলে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
সমাবেশে স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াত নেতারা অংশ নেন। তারা অভিযোগ করেন, জনবিচ্ছিন্নভাবে আসন পুনর্বিন্যাস করলে নির্বাচনের স্বচ্ছতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে।
বাগেরহাটে চারটি সংসদীয় আসন থেকে একটি বাদ দিয়ে তিনটি করার প্রস্তাবের প্রতিবাদে জরুরি সভা করেছে সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ।
বক্তারা নির্বাচন কমিশনের প্রস্তাবকে ‘অযৌক্তিক ও ষড়যন্ত্রমূলক’ আখ্যা দেন।
জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মোশাররফ হোসেন মন্টু বলেন, “আমরা স্মারকলিপি দেব। তারপরও দাবি না মানলে রোববার থেকে লাগাতার আন্দোলনে নামব।”


