ফ্যাটি লিভার ও ডায়াবেটিস ছাড়াও যেসব রোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক ব্ল্যাক কফি

অন্যান্য
ফ্যাটি লিভার ও ডায়াবেটিস ছাড়াও যেসব রোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক ব্ল্যাক কফি
নিউজ ডেস্ক
২৪ জুন ২০২৬

দিনের শুরুতে এক কাপ ব্ল্যাক কফি অনেকের কাছেই সতেজতা ও কর্মশক্তির উৎস। দুধ ও চিনি ছাড়া তৈরি এই জনপ্রিয় পানীয় শুধু ক্লান্তি দূর করতেই নয়, বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি রোগের ঝুঁকি কমাতেও ভূমিকা রাখতে পারে বলে বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিমিত মাত্রায় (প্রতিদিন ১ থেকে ৩ কাপ) ব্ল্যাক কফি পান করলে শরীরের নানা উপকার পাওয়া যায়। ফ্যাটি লিভার, হৃদ্‌রোগ ও টাইপ-২ ডায়াবেটিসের পাশাপাশি আরও কয়েকটি রোগের ঝুঁকি কমাতে এটি সহায়ক হতে পারে।

যেসব রোগের ঝুঁকি কমাতে পারে ব্ল্যাক কফি

টাইপ-২ ডায়াবেটিস: নিয়মিত ব্ল্যাক কফি পান ইনসুলিনের কার্যকারিতা উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে, যা রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।

সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

লিভারের বিভিন্ন রোগ: ফ্যাটি লিভার, লিভার সিরোসিস এবং লিভার ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে কফির ইতিবাচক প্রভাব রয়েছে বলে বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে।

পারকিনসনস রোগ: কফিতে থাকা ক্যাফেইন স্নায়ুতন্ত্রের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং পারকিনসনস রোগের ঝুঁকি কিছুটা কমাতে সহায়তা করতে পারে।

আলঝেইমারস ও স্মৃতিভ্রংশ: নিয়মিত পরিমিত কফি পান মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বজায় রাখতে এবং বয়সজনিত স্মৃতিভ্রংশের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে।

হৃদ্‌রোগ: পরিমিত পরিমাণে কফি পান কিছু মানুষের ক্ষেত্রে হৃদ্‌স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়ক হতে পারে এবং হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি হ্রাসে ভূমিকা রাখতে পারে।

ওজন নিয়ন্ত্রণ: ব্ল্যাক কফি শরীরের বিপাকক্রিয়া বাড়াতে সাহায্য করে, যা ক্যালরি খরচ ও চর্বি পোড়ানোর প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে পারে।

কফি পানে যেসব বিষয়ে সতর্ক থাকবেন

  • দিনে ৪–৫ কাপের বেশি কফি পান করলে অনিদ্রা, উদ্বেগ, বুক ধড়ফড় করা ও অ্যাসিডিটির সমস্যা দেখা দিতে পারে।
  • উচ্চ রক্তচাপ, হৃদ্‌রোগ বা গর্ভাবস্থায় কফি পান করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
  • চিনি, ক্রিম বা অতিরিক্ত ফ্লেভার না মিশিয়ে ব্ল্যাক কফি পান করলে এর স্বাস্থ্যগত উপকারিতা বেশি পাওয়া যায়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্ল্যাক কফি স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের একটি অংশ হতে পারে। তবে এটি কোনো রোগের ওষুধ নয়; সুষম খাদ্য, নিয়মিত ব্যায়াম ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের বিকল্পও নয়।