কিডনি রোগীরা রাতে দুধ খেতে পারবে?
দুধ পুষ্টিকর একটি খাবার। এতে রয়েছে ক্যালসিয়াম, প্রোটিন, ভিটামিন ও বিভিন্ন খনিজ উপাদান, যা শরীরের জন্য উপকারী। তবে রাতে দুধ পান সবার জন্য সমানভাবে উপযোগী নয়। কিছু শারীরিক অবস্থায় এটি হজমের সমস্যা বা অন্যান্য স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নিচের ব্যক্তিদের রাতে দুধ পান করার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা উচিত—

১. ল্যাকটোজ ইনটলারেন্সে ভোগা ব্যক্তি
যাদের শরীরে দুধের চিনি (ল্যাকটোজ) হজম করার জন্য প্রয়োজনীয় ল্যাকটেজ এনজাইমের ঘাটতি রয়েছে, তারা রাতে দুধ খেলে গ্যাস, পেট ফাঁপা, ডায়রিয়া ও পেটব্যথায় ভুগতে পারেন।
সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুক– এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব
২. অ্যাসিড রিফ্লাক্স বা গ্যাস্ট্রিকের রোগী
অনেকের ক্ষেত্রে রাতে, বিশেষ করে ঘুমানোর আগে পূর্ণ চর্বিযুক্ত দুধ পান করলে অ্যাসিড রিফ্লাক্স বা বুকজ্বালার সমস্যা বেড়ে যেতে পারে।
৩. যাদের ঘুমের সমস্যা রয়েছে
অতিরিক্ত চিনি মেশানো বা মিষ্টি দুধ রাতে পান করলে রক্তে শর্করার ওঠানামা হতে পারে, যা কিছু মানুষের ঘুমের মানে প্রভাব ফেলতে পারে।
৪. দুধে অ্যালার্জি আছে যাদের
দুধের প্রোটিনে অ্যালার্জি থাকলে দুধ পান করলে চুলকানি, ত্বকে ফুসকুড়ি, শ্বাসকষ্ট, এমনকি গুরুতর অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়াও দেখা দিতে পারে। এমন ক্ষেত্রে দুধ এড়িয়ে চলা জরুরি।
৫. কিডনি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি
দুধে থাকা ফসফরাস, ক্যালসিয়াম ও প্রোটিনের পরিমাণ কিডনি রোগীদের জন্য সব সময় উপযোগী নাও হতে পারে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী দুধ গ্রহণ করা উচিত।
৬. ডায়রিয়া বা হজমের সমস্যায় ভুগছেন যারা
ডায়রিয়া বা পাচনতন্ত্র দুর্বল থাকলে দুধ খেলে অনেকের ক্ষেত্রে উপসর্গ বেড়ে যেতে পারে এবং হজমে অতিরিক্ত চাপ পড়তে পারে।
যা মনে রাখবেন
সুস্থ ব্যক্তিদের জন্য পরিমিত পরিমাণে রাতে দুধ পান সাধারণত নিরাপদ। তবে যাদের ওপরের কোনো সমস্যা রয়েছে বা দুধ খাওয়ার পর নিয়মিত অস্বস্তি হয়, তাদের চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিয়ে দুধ পান করা উচিত।

