বাকস্বাধীনতার অপব্যবহার না করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

জাতীয়
বাকস্বাধীনতার অপব্যবহার না করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাকস্বাধীনতার নামে অশালীনতা ও গালাগালের সংস্কৃতি রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিসরে জায়গা না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা অবারিত থাকলেও তা যেন কোনোভাবেই শালীনতার সীমা অতিক্রম না করে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফ্যাসিবাদী শাসনামলে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ও বাকস্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ বিরাজ করছে এবং মানুষ স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ করতে পারছে। তবে এই স্বাধীনতার সঙ্গে দায়িত্বশীলতাও থাকতে হবে।

সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

তিনি বলেন, কোনো বিবেকবান মানুষ বা দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদ চাইবেন না যে দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি গালাগালির সংস্কৃতিতে পরিণত হোক। বাকস্বাধীনতা যেন বাকশালীনতার সীমা লঙ্ঘন না করে, সেদিকে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

জনপরিসরে শালীন ভাষা ব্যবহারের আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, পারিবারিক পরিবেশে যে ধরনের শব্দ ব্যবহার করতে মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে না, সেসব শব্দ জনপরিসরেও ব্যবহার করা উচিত নয়। দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে এ বিষয়ে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।

গালাগালির সংস্কৃতির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সবাই যদি এ বিষয়ে একমত হন, তাহলে সম্মিলিতভাবে এই সংস্কৃতির বিরুদ্ধে ভূমিকা নিতে হবে।

তিনি বলেন, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে বিভিন্ন সময়ে লাখো মানুষ জীবন দিয়েছেন। ২০২৪ সালের ফ্যাসিবাদবিরোধী গণঅভ্যুত্থানেও বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। ন্যায়পরায়ণতা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শহীদদের রক্তের ঋণ পরিশোধ করা সবার দায়িত্ব।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, জনগণ একটি দলকে রাষ্ট্র পরিচালনা এবং আরেকটি দলকে বিরোধী দলের দায়িত্ব দিয়েছে। তাই সরকারি দল ও বিরোধী দল—সবাইকে সম্মিলিতভাবে একটি কল্যাণকর রাষ্ট্র গঠনে ভূমিকা রাখতে হবে।