সকালের নাশতা ছাড়া ব্যায়াম করা কি নিরাপদ? জানুন

স্বাস্থ্য
সকালের নাশতা ছাড়া ব্যায়াম করা কি নিরাপদ? জানুন
২৬ জুলাই ২০২৬

সুস্থ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সকালের নাশতা খাওয়ার আগে হালকা থেকে মাঝারি মানের ব্যায়াম বেশ কিছু সুবিধা দিতে পারে:

এটি সময়ের সাশ্রয় করে এবং নিয়মিত শরীরচর্চার অভ্যাস গড়তে সাহায্য করে।
ব্যায়ামের সময় চর্বি পোড়ানোর হার বৃদ্ধি পায়।
কিছু ক্ষেত্রে এটি ইনসুলিন সেনসিটিভিটি বাড়াতে সাহায্য করে। হাঁটা, হালকা দৌড়, সাইক্লিং বা ইয়োগার মতো ব্যায়ামগুলো সাধারণত খালি পেটে করা নিরাপদ।
সতর্কতা ও ঝুঁকি

সবার জন্য খালি পেটে ব্যায়াম করা আদর্শ নয়। কিছু ক্ষেত্রে এর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে, যেমন:

সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

শরীরে শক্তির অভাব এবং দ্রুত ক্লান্তি অনুভব করা।
মাথা ঘোরা বা চোখে অন্ধকার দেখা।
ব্যায়ামের স্বাভাবিক গতি বা তীব্রতা বজায় রাখতে সমস্যা হওয়া।
বিশেষ করে যারা উচ্চ-তীব্রতার ব্যায়াম, শক্তি বৃদ্ধিকারী প্রশিক্ষণ বা দীর্ঘ পথ দৌড়ান, তাদের জন্য ব্যায়ামের আগে পর্যাপ্ত জ্বালানি বা খাবার গ্রহণ করা জরুরি।
যাদের জন্য এটি ঝুঁকিপূর্ণ

কিছু নির্দিষ্ট শারীরিক অবস্থা থাকলে খালি পেটে ব্যায়াম করা এড়িয়ে চলা উচিত অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত:

ডায়াবেটিস রোগী এবং যাদের রক্তে শর্করার পরিমাণ কম হওয়ার প্রবণতা আছে।
অন্তঃসত্ত্বা নারী।
বয়স্ক ব্যক্তি যাদের শারীরিক অসুস্থতা রয়েছে।
অসুস্থতা থেকে সেরে উঠছেন এমন ব্যক্তি।
শরীরের সংকেত বুঝুন

যদি ব্যায়ামের সময় আপনি নিচের লক্ষণগুলো অনুভব করেন, তবে বুঝবেন আপনার শরীরে খাবারের প্রয়োজন রয়েছে:

গা হাত-পা কাঁপা বা দুর্বলতা।
অতিরিক্ত ক্লান্তি বা বমি বমি ভাব।
মাথাব্যথা বা মনোযোগ দিতে অসুবিধা হওয়া।
এমন পরিস্থিতিতে ব্যায়ামের ৩০ থেকে ৬০ মিনিট আগে কলা, ওটস, দই বা একটি স্মুদির মতো সহজে হজমযোগ্য হালকা খাবার খাওয়া যেতে পারে।

পানির গুরুত্ব

আপনি ব্যায়ামের আগে খাবার খান বা না খান, শরীরকে আর্দ্র রাখা অপরিহার্য। দীর্ঘ সময় ঘুমের পর শরীর এমনিতেই কিছুটা পানিশূন্য থাকে। তাই ব্যায়ামের আগে এবং ব্যায়াম চলাকালীন পানি পান করলে শরীরের কর্মক্ষমতা বজায় থাকে এবং গরমে অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি কমে।

শেষকথা

আপনার শরীরের ভাষা বুঝুন এবং নিজের লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি রুটিন বেছে নিন। তবে যে কোনো বড় পরিবর্তন আনার আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া সর্বদা শ্রেয়।