যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও বাংলাদেশের উদ্দেশে এলএনজি কার্গো পাঠাল কাতার

যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও বাংলাদেশের উদ্দেশে এলএনজি কার্গো পাঠাল কাতার
নিউজ ডেস্ক
৭ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের মধ্যেই বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে এলএনজি কার্গো পাঠাতে শুরু করেছে কাতার। ইরানের সঙ্গে আঞ্চলিক উত্তেজনার জেরে জ্বালানি উৎপাদন সাময়িকভাবে বন্ধ রেখে আমদানিকারকদের কাছে ‘ফোর্স ম্যাজেউর’ ঘোষণা করার পর এটি কাতারের প্রথম এলএনজি চালান।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার কাতারের রাস লাফান এলএনজি রপ্তানি টার্মিনাল থেকে ‘লেব্রেথাহ’ নামের একটি ট্যাঙ্কার যাত্রা শুরু করেছে। জাহাজটির ড্রাফট লেভেল বৃদ্ধি পাওয়ায় ধারণা করা হচ্ছে, এতে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বোঝাই করা হয়েছে।

জাহাজটি বর্তমানে বাংলাদেশের দিকে অগ্রসর হচ্ছে এবং সবকিছু স্বাভাবিক থাকলে আগামী ১৪ মার্চের মধ্যে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর আগে চলতি সপ্তাহের শুরুতে ‘আল ঘাশামিয়া’ নামের আরেকটি এলএনজি কার্গো জাহাজে পণ্য বোঝাই করা হলেও সেটি এখনো পারস্য উপসাগরে অবস্থান করছে।

সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

তবে এসব চালান শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত গন্তব্যে পৌঁছাবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। কারণ বিশ্বের মোট এলএনজি সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ যে কৌশলগত হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়, চলমান আঞ্চলিক সংঘাতের কারণে সেখানে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ রয়েছে।

ব্লুমবার্গ বলছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ‘লেব্রেথাহ’ জাহাজটিকে ভাসমান গুদাম হিসেবেও ব্যবহার করা হতে পারে।

উল্লেখ্য, ইরানের ড্রোন হামলার পর বিশ্বের বৃহত্তম এলএনজি রপ্তানি কেন্দ্রগুলোর একটি কাতারের রাস লাফান কমপ্লেক্স সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। ওই হামলার আগেই হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় স্থবির হয়ে পড়ে।

তবে এ বিষয়ে কাতারএনার্জির পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।