নেপালে আকস্মিক বন্যা-ভূমিধসে নিহত বেড়ে ৩৩২, নিখোঁজ অন্তত ১৫০০
নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৩২ জনে দাঁড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) স্থানীয় সময় বিকেল ৩টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত দেশটির পুলিশের দেওয়া হিসাবে এ তথ্য জানা গেছে। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এর আগে স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে পুলিশের দেওয়া হিসাবে মৃতের সংখ্যা ছিল ২৮৯ জন। অল্প সময়ের ব্যবধানেই নতুন করে আরও ৪৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়।

ভয়াবহ এই দুর্যোগে নেপাল-তিব্বত সীমান্তবর্তী এলাকায় ঘরবাড়ি, সড়ক ও সেতু ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এখনো প্রায় ১,৫০০ মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুক– এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব
দুর্গম এলাকায় হেলিকপ্টারে উদ্ধার
নিখোঁজদের সন্ধানে নেপালের সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা ব্যাপক উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন। দুর্গম ও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন এলাকায় হেলিকপ্টারের মাধ্যমে উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতা পরিচালনা করা হচ্ছে।
বন্যার পানির সঙ্গে বিপুল পরিমাণ কাদা, পাথর ও ধ্বংসাবশেষ নেমে আসায় উদ্ধারকাজ কঠিন হয়ে পড়েছে। ধ্বংস হয়ে গেছে বহু সড়ক ও সেতু, ফলে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় স্থলপথে পৌঁছানোও কঠিন হয়ে পড়েছে।
ভূমিকম্প নয়, হিমবাহ ধসেই ভয়াবহ জলস্রোত
দুর্যোগের শুরুতে ভূমিকম্পকে সম্ভাব্য কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হলেও পরবর্তী বিশ্লেষণে হিমবাহের বরফ, পাথর ও মাটির ধস থেকে এই ভয়াবহ জলস্রোতের সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হিমবাহের বরফ ও পাথরের ধস আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি করে নেপাল ও তিব্বতের বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে।
এদিকে উদ্ধারকাজ চলতে থাকায় আরও মরদেহ উদ্ধারের আশঙ্কা করছেন কর্মকর্তারা। ফলে আগামী কয়েক ঘণ্টা ও দিনে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

