দেশের অস্ত্র ঘাটতির সংবাদ প্রকাশকারীরা ‘দেশদ্রোহী’: ট্রাম্প
ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভান্ডারে ঘাটতি দেখা দিয়েছে—এমন খবর ও গুঞ্জনকে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ ধরনের তথ্য ছড়ানো ব্যক্তিদের ‘দেশদ্রোহী অপশক্তি’ বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ট্রাম্পের এমন বক্তব্যের কথা জানিয়েছে এনডিটিভি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া একাধিক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রের মজুত নিয়ে গণমাধ্যম ও বিশেষজ্ঞদের করা বিভিন্ন দাবি সঠিক নয়। তার ভাষ্য, এসব মহল যুক্তরাষ্ট্রের বিজয় দেখতে চায় না, বরং দেশটিকে যুদ্ধে পরাজিত দেখতে চায়। এ কারণেই তারা ‘শতভাগ ভুল তথ্য’ ছড়াচ্ছে।
আরেকটি পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে মাঝারি ও উচ্চমানের গোলাবারুদের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। বর্তমান যুদ্ধ কিংবা ভবিষ্যতে সম্ভাব্য যেকোনো সংঘাতের প্রয়োজন মেটানোর জন্য এই মজুত যথেষ্টের চেয়েও বেশি বলে দাবি করেন তিনি।
ট্রাম্প আরও বলেন, ইতিহাসে নজিরবিহীন গতিতে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন অস্ত্র উৎপাদন করা হচ্ছে। দেশের প্রয়োজন মেটানোর পর খুব শিগগির মিত্র দেশগুলোর কাছেও অস্ত্র বিক্রি আবার শুরু করা সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সরঞ্জাম ও গোলাবারুদের মজুত নিয়ে সীমাবদ্ধতার আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন কয়েকজন বিশেষজ্ঞ। তাদের বক্তব্যের জবাবে ট্রাম্প এ পরিস্থিতির জন্য সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসনকে দায়ী করেন।
ট্রাম্পের অভিযোগ, বাইডেন প্রশাসন ইউক্রেন ও ন্যাটোকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র বিনামূল্যে সরবরাহ করেছে। এসব অস্ত্রের মূল্য ইউরোপীয় দেশগুলোর পরিশোধ করা উচিত ছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র সেই অর্থ দাবি করবে বলে জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট।


