ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক

আগামী ছয় থেকে আট মাসে ‘বড় কিছু’ ঘটতে পারে

আগামী ছয় থেকে আট মাসে ‘বড় কিছু’ ঘটতে পারে

ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে বিরোধী নেতাদের সঙ্গে আলোচনায় কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী

২ অক্টোবর ২০২৬

আগামী ছয় থেকে আট মাসের মধ্যে এমন কিছু ঘটতে পারে, যা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চাপে ফেলবে বলে বিরোধী নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে মন্তব্য করেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। তবে এ বক্তব্যের পক্ষে কোনো স্বাধীন বা সরকারি প্রমাণ প্রকাশ্যে আসেনি।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) নয়াদিল্লিতে ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে রাহুল এ কথা বলেন বলে বৈঠকে উপস্থিত সূত্রের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে। বৈঠকে তিনি বিরোধীদের আন্দোলনের গতি আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন।

বৈঠকের আলোচনায় বিশেষ নিবিড় ভোটার তালিকা সংশোধন (এসআইআর), নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রম এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বিরোধীদের অভিযোগ গুরুত্ব পায়। বিরোধী দলগুলো কুমারের পদত্যাগের দাবি জানিয়ে যৌথভাবে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছে।

সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

ইন্ডিয়া জোটের পক্ষ থেকে ২ থেকে ৮ অক্টোবর দেশজুড়ে ‘গণতন্ত্র রক্ষার পদযাত্রা’ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। ৬ অক্টোবর বিরোধী সাংসদরা নির্বাচন কমিশনের দপ্তরের দিকে মিছিল করবেন। একই সঙ্গে অক্টোবর ও নভেম্বরে আরও কয়েকটি বড় সমাবেশের কর্মসূচি নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।

বৈঠকে রাহুল বিরোধী দলগুলোর জাতীয় পর্যায়ে ঐক্য ধরে রাখার ওপর জোর দেন। বিভিন্ন রাজ্যে শরিক দলগুলোর পারস্পরিক রাজনৈতিক বিরোধ থাকলেও নির্বাচন কমিশন ও ভোটার তালিকা সংশোধনের মতো জাতীয় ইস্যুতে একসঙ্গে থাকার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন তিনি।

ইভিএম ও ভোটার তালিকা নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ কলকাতার প্রসঙ্গ তুলে রাহুল সেখানে নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বলে সূত্রের দাবি। তবে ইভিএমে কারচুপির অভিযোগটি প্রমাণিত ঘটনা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত নয়।

বৈঠকে বিরোধীরা ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে তাদের অভিযোগের পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের কাছে আরও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির দাবি তোলে। ইন্ডিয়া জোটের নেতারা এসআইআর-সংক্রান্ত মামলাগুলোর দ্রুত শুনানির জন্য সুপ্রিম কোর্টের প্রতি আহ্বান জানানোর কথাও জানিয়েছেন।

তবে বৈঠকে রাহুল গান্ধীকে ইন্ডিয়া জোটের আনুষ্ঠানিক নেতা ঘোষণা করা হয়েছে—এমন কোনো সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে আসেনি। বৈঠকে মূলত নির্বাচন কমিশন, ভোটার তালিকা এবং বিরোধীদের যৌথ আন্দোলনের কৌশল নিয়েই আলোচনা হয়েছে।

 

সূত্র: যুগান্তর