চাঁদাবাজির অভিযোগে সত্যতা নেই,মিটফোর্ডে ভাঙারি ব্যবসা দ্বন্দ্বেই খুন সোহাগ
রাজধানীর মিটফোর্ড এলাকায় ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ সোহাগকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনার পেছনে চাঁদাবাজি নয়, ভাঙারি দোকান নিয়ন্ত্রণ ও লেনদেনসংক্রান্ত বিরোধ ছিল বলে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। শনিবার দুপুরে লালবাগ বিভাগের ডিসি মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, “হত্যাকাণ্ডের ঘটনার মূল কারণ ছিল, মিটফোর্ড এলাকার একটি ভাঙারি দোকান কারা চালাবে এবং সেই দোকানের টাকার হিসাব নিয়ে বিরোধ। ঘটনাটি রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নয় বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।”
ডিএমপি জানায়, এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে এখন পর্যন্ত ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের একজন, মাহিন, মামলার প্রধান আসামি। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করেই মূল অভিযুক্তদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিসি জসীম বলেন, “গ্রেপ্তারদের রাজনৈতিক পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে আমরা সবদিক থেকেই তদন্ত করছি। কোনো পক্ষকে ছাড় দেওয়া হবে না এবং রাজনৈতিক পরিচয় তদন্তে প্রভাব ফেলবে না।”
সোহাগ হত্যাকাণ্ডের কিছু দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে প্রতিবাদ ও নানা মত উঠে আসে। অনেকে এটিকে রাজনৈতিক রং দিতে চাইছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
ডিএমপি সূত্র জানায়, “মামলার তদন্তের অগ্রগতির আগে কেউ যাতে গুজব বা বিভ্রান্তিকর তথ্য না ছড়ায়, সে বিষয়ে পুলিশ সতর্ক রয়েছে।”
গত ৯ জুলাই সন্ধ্যায় মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে সোহাগ নামের এক ব্যবসায়ীকে প্রকাশ্যে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ঘটনার পরদিন কোতোয়ালি থানায় নিহতের বড় বোন ১৯ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা আরও ১০–১৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।


