কাকে ইঙ্গিত করে পোস্ট দিলেন উপদেষ্টা আসিফ?

জাতীয়
কাকে ইঙ্গিত করে পোস্ট দিলেন উপদেষ্টা আসিফ?
নিউজ ডেস্ক
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুভেচ্ছা জানিয়ে তুমুল বিতর্কের মুখে পড়েছেন জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। আর সেই বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

গত রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাতে সাকিব আল হাসান ফেসবুকে একটি পোস্টে শেখ হাসিনার জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানান। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়, বিশেষ করে সাকিবের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা এবং তার বিরুদ্ধে থাকা দুর্নীতির অভিযোগ ঘিরে।

শুভেচ্ছা পোস্টের কিছুক্ষণ পরেই ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ তার ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে এক পোস্টে মন্তব্য করেন,
“একজনকে পুনর্বাসন না করায় সহস্র গালি দিয়েছেন আপনারা আমাকে। But I was right. End of the discussion।”
যদিও সেখানে কারও নাম উল্লেখ করা হয়নি, অনেকেই ধরে নেন এটি সাকিবকে উদ্দেশ করেই দেওয়া হয়েছে।

সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

এর জবাবে সাকিবও রাতেই একটি ঘুরিয়ে লেখা পোস্ট দেন, যা পরোক্ষভাবে সেই মন্তব্যের জবাব বলেই মনে করছেন নেটিজেনরা।

সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) আসিফ মাহমুদ তার নতুন একটি ফেসবুক পোস্টে সাকিবের নির্বাচনে অংশগ্রহণ, রাজনৈতিক ভূমিকা ও বিতর্কিত কর্মকাণ্ড নিয়ে সরাসরি কথা বলেন।

তিনি লিখেছেন:
“ভাইয়া, আমাকে জোর করে নমিনেশন দেওয়া হয়েছিল। আমি শুধু নির্বাচনটাই করেছিলাম, আওয়ামী লীগের দলীয় রাজনীতিতে জড়িত হইনি।”
এরপর আরও যোগ করেন:
“আপনারা তাকে জানেন, যার হাত ছাত্র-জনতার রক্তে রঞ্জিত, তাকে বাংলাদেশের পতাকা বহন করতে দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। শেয়ার মার্কেট কেলেঙ্কারি, মানি লন্ডারিং, ফাইনানশিয়াল ফ্রড—এসব শুধু ভালো ক্রিকেটার হলেই কি মাফযোগ্য?”

সবশেষে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন,
“আইন সবার জন্য সমান। মুখোমুখি হোন।”

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মতভেদ তৈরি হয়েছে। কেউ কেউ ক্রীড়া উপদেষ্টার বক্তব্যকে সমর্থন করছেন, কেউ আবার মনে করছেন এটি সাকিবের বিরুদ্ধে রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আক্রমণ।

সামাজিকমাধ্যম বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে পা রাখার পর থেকে সাকিবের প্রতিটি মন্তব্য এখন আরও বেশি মাত্রায় মনোযোগ আকর্ষণ করছে, এবং তার বিরুদ্ধে থাকা পূর্বের অভিযোগগুলোও আবার আলোচনায় আসছে।