গুলশান এলাকার ভোটার হলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে গুলশান-২ এলাকা থেকে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এতদিন তিনি রাজধানীর মিরপুর এলাকার ভোটার ছিলেন। তবে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে তিনি ভোটার এলাকা স্থানান্তরের আবেদন করলে নির্বাচন কমিশন (ইসি) তা অনুমোদন করে।
রোববার (১২ অক্টোবর) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের একাধিক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। যদিও স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় প্রায় আট মাস আগে, এবার তা প্রথমবারের মতো গণমাধ্যমে প্রকাশ পেল।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ১৯ নম্বর ওয়ার্ড (গুলশান-২) এখন অধ্যাপক ইউনূসের ভোটার এলাকা। গুলশান থানা নির্বাচন কর্মকর্তা প্রতিভা বিশ্বাস বলেন—
“স্যার এখন গুলশান-২ এর ভোটার। ইসি থেকে আবেদন অনুমোদনের পর এনআইডি তথ্য সংশোধন করা হয়েছে। আসন্ন নির্বাচনে তিনি গুলশান থেকেই ভোট দিতে পারবেন।”
ইসি সূত্র জানায়, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময় এনআইডি উইংয়ের মহাপরিচালক ভোটার স্থানান্তরের আবেদন অনুমোদন করেন এবং পরদিন তা ইসির সার্ভারে হালনাগাদ করা হয়।
ইসির জনসংযোগ পরিচালক রুহুল আমিন মল্লিক জানান,
“ভোটার এলাকা পরিবর্তন একটি চলমান প্রক্রিয়া। বিধিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত ফরমে আবেদন করে প্রমাণস্বরূপ দলিলাদি জমা দিতে হয়। যাচাই-বাছাই শেষে নির্বাচন কমিশন নতুন ঠিকানায় ভোটার এলাকা স্থানান্তর করে।”
অধ্যাপক ইউনূস আগে গ্রামীণ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় (মিরপুর) এর ঠিকানায় ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত ছিলেন। বর্তমানে তিনি তার গুলশানস্থ বাসভবনের ঠিকানা অনুযায়ী ভোটার তালিকায় যুক্ত হয়েছেন।
আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ সালের শুরুতেই অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নির্বাচন সামনে রেখে চলতি বছর জানুয়ারি থেকে দেশের ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম চালিয়ে আসছে ইসি। এ সময় নতুন ভোটার অন্তর্ভুক্তির পাশাপাশি মৃতদের কর্তন এবং ভোটার স্থানান্তরের প্রক্রিয়াও সম্পন্ন করা হচ্ছে।
বর্তমানে দেশে ১২ কোটির বেশি ভোটার রয়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।


