জাতীয় নির্বাচনে কঠোর নজরদারি: কেন্দ্রীয় মনিটরিং ও সাইবার সিকিউরিটি সেল গঠন করছে ইসি

জাতীয়
জাতীয় নির্বাচনে কঠোর নজরদারি: কেন্দ্রীয় মনিটরিং ও সাইবার সিকিউরিটি সেল গঠন করছে ইসি
নিউজ ডেস্ক
২৭ নভেম্বর ২০২৫

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনি নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও সহিংসতাহীন রাখতে কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেল এবং সোশ্যাল মিডিয়া নজরদারিতে বিশেষ সাইবার সিকিউরিটি সেল গঠনের ঘোষণা দিয়েছে সংস্থাটি।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানান— আচরণবিধি লঙ্ঘনে কোনো ছাড় দেয়া হবে না। তফসিল ঘোষণার প্রথম দিন থেকেই কঠোরভাবে আইন প্রয়োগ করা হবে।

ইসি জানায়, নির্বাচনি এলাকায় তিন ধরনের বাহিনী মোতায়েন থাকবে—
স্ট্যাটিক ফোর্স: ভোটকেন্দ্রে স্থায়ীভাবে দায়িত্ব পালন করবে।
মোবাইল টিম: বিভিন্ন এলাকায় টহল দেবে, চেকপোস্ট পরিচালনা করবে।
রিজার্ভ ফোর্স: আকস্মিক পরিস্থিতি বা সংঘর্ষ রোধে ব্যাকআপ হিসেবে কাজ করবে।

সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

এবারের নির্বাচনে দুই লাখের বেশি ভোটকক্ষে দায়িত্ব পালন করবে আনসার-ভিডিপির সাড়ে ৫ লাখ সদস্য। পাশাপাশি পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, কোস্টগার্ড ও সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যসহ মোট ৭ লাখের বেশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী নিয়োজিত থাকবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়া তথ্য, গুজব ও অপতথ্যের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ইসির নেতৃত্বে একটি শক্তিশালী সাইবার সিকিউরিটি সেল গঠন হচ্ছে।
এই সেল—

ফেসবুক, ইউটিউব, হোয়াটসঅ্যাপসহ অনলাইন প্ল্যাটফর্ম পর্যবেক্ষণ করবে।ইউএনডিপির টুল ব্যবহার করবে। তথ্য মন্ত্রণালয়, সিআইডি ও অন্যান্য সংস্থার সাথে সমন্বয়ে কাজ করবে।

ইসি সচিব স্পষ্ট ভাষায় বলেন—
“নির্বাচন পরিবেশ নষ্টের সুযোগ কাউকে দেওয়া হবে না। আচরণবিধি লঙ্ঘন হলে যেই হোক, কোনো ছাড় নেই।”

তিনি আরও জানান, নির্বাচন কমিশনের কোনো নিজস্ব বাহিনী নেই। তাই সব বাহিনীর সমন্বিত সহায়তার ওপরই নির্ভর করছে ইসি।

সভায় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, কোস্টগার্ড, গোয়েন্দা সংস্থা ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।