আমি ৯৫ শতাংশ সফল : ধর্ম উপদেষ্টা

জাতীয়
আমি ৯৫ শতাংশ সফল : ধর্ম উপদেষ্টা
নিউজ ডেস্ক
১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, তার দায়িত্বকালীন সময়ে তিনি প্রায় ৯৫ শতাংশ সফল হয়েছেন। মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা অনুদান শাখার মাধ্যমে দেশের মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা, কবরস্থানসহ হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ধর্মীয় সম্প্রদায়ের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন উপদেষ্টা।

নিজের কাজের মূল্যায়ন তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রশাসনিক জটিলতা ও জনবল সংকটের কারণে শতভাগ সফল হওয়া সম্ভব হয়নি। তবে শূন্যপদ পূরণে ছয়জন কর্মকর্তার নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

ধর্ম উপদেষ্টা আরও বলেন, আরও কিছু সময় পেলে ওয়াকফ প্রশাসনকে শৃঙ্খলা ও জবাবদিহির আওতায় আনা যেত। ওয়াকফ সংশ্লিষ্ট কাজগুলো জটিল উল্লেখ করে তিনি জানান, বিশেষ করে ভূমি সংক্রান্ত মামলাগুলো বছরের পর বছর হাইকোর্টে ঝুলে থাকায় কার্যক্রমে বিলম্ব হচ্ছে।

কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদের সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দুই দফা পরিদর্শনের পর জেলা প্রশাসককে মোতাওয়াল্লির দায়িত্ব দেওয়ায় সেখানে শৃঙ্খলা ফিরেছে। বর্তমানে মসজিদের ছয়টি ব্যাংক হিসাবে ১০৭ কোটি টাকা জমা রয়েছে। ওই স্থানে একটি আধুনিক কমপ্লেক্স নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রথমে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) সঙ্গে চুক্তি হলেও কাজ এগোয়নি। পরে বুয়েটের বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি টিম পাঠানো হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব কর্তৃক গণভোটে ‘না’ ভোট দেওয়ার আহ্বান সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, বায়তুল মোকাররমের খতিব, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক এবং বিভিন্ন ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের কর্মকর্তারা রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়ায় নিয়োগপ্রাপ্ত। ফলে তাদের প্রত্যেকেরই দায়িত্বশীল ও সতর্ক আচরণ করা উচিত।

তিনি বলেন, “বায়তুল মোকাররম একটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান। এর খতিব ও ইমামরা সর্বজনশ্রদ্ধেয়। তবে কোনো বক্তব্য যদি রাজনৈতিক বিতর্ক সৃষ্টি করে বা রাষ্ট্রের অবস্থানের বিপরীতে যায়, তাহলে তা দুঃখজনক।” খতিবের পদকে বিতর্কমুক্ত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

ধর্ম উপদেষ্টা আরও বলেন, মন্ত্রণালয়ের অধীনে রাষ্ট্র কর্তৃক নিয়োজিত প্রত্যেক ব্যক্তির উচিত এমন মন্তব্য এড়িয়ে চলা, যাতে সরকার বিব্রত হয় বা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়।