গণভোটসহ অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১১ অধ্যাদেশ বাতিলের সুপারিশ

জাতীয়
গণভোটসহ অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১১ অধ্যাদেশ বাতিলের সুপারিশ
নিউজ ডেস্ক
২ এপ্রিল ২০২৬

অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে গণভোটসহ ১১টি বাতিলের সুপারিশ করেছে জাতীয় সংসদ গঠিত বিশেষ কমিটির সরকার পক্ষের সদস্যরা। তবে বিরোধী দলের তিন সদস্য এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশ বহাল রাখার পক্ষে নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সংসদে বিশেষ কমিটির প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে ৯৮টি অধ্যাদেশ বর্তমান আকারে বিল হিসেবে সংসদে উপস্থাপনের সুপারিশ, ১৫টি অধ্যাদেশ সংশোধন করে বিল আকারে আনার প্রস্তাব, ১৬টি অধ্যাদেশ আপাতত না এনে আরও যাচাই-বাছাই করে পরে উত্থাপনের সুপারিশ, ৪টি অধ্যাদেশ রহিত করার জন্য বিল আনার প্রস্তাব।

সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

কমিটির সরকার ও বিরোধী সদস্যরা ১৩টি অধ্যাদেশের বিষয়ে একমত হতে পারেননি। ফলে বিরোধী দলের সদস্যরা এসব অধ্যাদেশ বহাল রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

যেসব অধ্যাদেশ বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, বিচারক নিয়োগ সংক্রান্ত অধ্যাদেশ, তথ্য অধিকার (সংশোধন) অধ্যাদেশ, মাইক্রোফাইন্যান্স ব্যাংক অধ্যাদেশ, ব্যাংক রেজুলেশন অধ্যাদেশ, গণভোট অধ্যাদেশ।

২০২৪ সালের ৮ আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এসব অধ্যাদেশ জারি করা হয়। পরবর্তীতে সংসদ এগুলো যাচাই-বাছাইয়ের জন্য একটি কমিটি গঠন করে, যার নেতৃত্ব দেন জয়নুল আবেদীন।

কমিটি তিনটি বৈঠকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবদের মতামত নিয়ে প্রতিবেদন প্রস্তুত করে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, রাজস্ব নীতি ও ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ নিয়ে সরকার পক্ষ ভিন্ন অবস্থানে রয়েছে, তবে বিরোধী সদস্যরা এটি অপরিবর্তিত অবস্থায় পাশের পক্ষে মত দিয়েছেন।

এদিকে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (সংশোধন) অধ্যাদেশ পাশ করার পক্ষে সরকার পক্ষ সুপারিশ করেছে।