প্রত্যর্পণ নিয়ে ভারতের বার্তা: আইন অনুযায়ী হবে সিদ্ধান্ত
বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ প্রসঙ্গে ভারতের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসেনি বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। নয়াদিল্লির ভাষ্য, বিষয়টি সম্পূর্ণ আইনি কাঠামো ও প্রচলিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী বিবেচনা করা হবে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) নয়াদিল্লিতে আয়োজিত সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ মন্তব্য করেন।
সম্প্রতি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনার কথা জানান। ওই সাক্ষাৎকারের পর তাকে বাংলাদেশে ফেরানো এবং প্রত্যর্পণ নিয়ে ভারতের অবস্থান জানতে চাইলে জয়সওয়াল বলেন, সাক্ষাৎকারের পরও ভারতের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন হয়নি।
তিনি বলেন, প্রত্যর্পণ-সংক্রান্ত যেকোনো বিষয় সংশ্লিষ্ট আইন, দ্বিপক্ষীয় চুক্তি এবং নির্ধারিত আইনি প্রক্রিয়ার আলোকে বিবেচনা করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশে ভারতের অর্থায়নে চলমান ১১টি উন্নয়ন প্রকল্প নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। কিছু গণমাধ্যমে এসব প্রকল্প স্থগিত হওয়ার সম্ভাবনার খবর প্রকাশিত হলেও তা নিয়ে সরাসরি কোনো সিদ্ধান্তের কথা জানায়নি ভারত।
রণধীর জয়সওয়াল বলেন, বাংলাদেশে ভারতের উন্নয়ন প্রকল্পগুলো দুই দেশের পারস্পরিক আলোচনা ও সমঝোতার ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং সেগুলো একই প্রক্রিয়ায় এগিয়ে চলেছে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ত্যাগ করে ভারতে যান। এরপর বাংলাদেশ সরকার তার প্রত্যর্পণ চেয়ে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জানায়। এ বিষয়ে ভারত পুনরায় জানিয়েছে, যেকোনো সিদ্ধান্ত আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই নেওয়া হবে।


