দেশের ৩ নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে, সতর্কাবস্থায় আরও বেশ কিছু অঞ্চল
দেশের তিনটি নদীর তিনটি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একই সঙ্গে পর্যবেক্ষণাধীন ১২৭টি পানি সমতল স্টেশনের মধ্যে ৬৩টিতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় কয়েকটি জেলার বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নদীর বিভিন্ন পয়েন্ট সতর্কসীমায় রয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) সকাল ৯টার তথ্য অনুযায়ী বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র (বাপাউবো) জানিয়েছে, বর্তমানে তিস্তা, কুশিয়ারা ও সোমেশ্বরী নদীর তিনটি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

তথ্য অনুযায়ী, গাইবান্ধার তারাপুর পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার, সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে কুশিয়ারা নদীর পানি ২৩ সেন্টিমিটার এবং নেত্রকোণার কলমাকান্দা পয়েন্টে সোমেশ্বরী নদীর পানি ৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুক– এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব
পর্যবেক্ষণাধীন ১২৭টি পানি সমতল স্টেশনের মধ্যে ৬৩টিতে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে ৬২টি স্টেশনে পানি কমেছে এবং দুটি স্টেশনে পানি অপরিবর্তিত রয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের উজানে ভারতের ত্রিপুরার কুমারঘাটে সর্বোচ্চ ১৩৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। একই সময়ে দেশের অভ্যন্তরে সর্বোচ্চ ৭৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে সুনামগঞ্জের মহেশখোলায়।
এদিকে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নদীর একাধিক পয়েন্ট বর্তমানে সতর্কসীমায় রয়েছে। এর মধ্যে সুনামগঞ্জের ছাতক ও মারকুলিতে সুরমা নদী, নীলফামারীর ডালিয়া ও রংপুরের কাউনিয়ায় তিস্তা নদী, কুড়িগ্রামের পাটেশ্বরীতে দুধকুমার নদী, নেত্রকোণার খালিয়াজুরিতে ধনু নদী, মৌলভীবাজারের শেরপুর-সিলেট পয়েন্টে কুশিয়ারা নদী এবং ফেনীর হরিপুরে মুহুরী নদীর পানি সতর্কসীমা স্পর্শ করেছে।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট এলাকার নদ-নদীর পানির পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসন ও জনগণকে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

