স্বাস্থ্যসেবায় গবেষণা ও উদ্ভাবনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

জাতীয়
স্বাস্থ্যসেবায় গবেষণা ও উদ্ভাবনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী
২৮ জুলাই ২০২৬

দেশীয় প্রযুক্তিতে চিকিৎসা সরঞ্জাম উদ্ভাবনে গবেষণা ও উদ্ভাবনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা, মান যাচাই ও উৎপাদন প্রক্রিয়ায় সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ভেন্টিলেটর ও হাই-ফ্লো অক্সিজেন মেশিনের উদ্ভাবকদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক সভায় তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের গবেষক ও প্রকৌশলীদের উদ্ভাবনী সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি চিকিৎসা যন্ত্রের প্রয়োজনীয় অনুমোদন, মান যাচাই ও ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা সম্পন্ন করতে সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে।

সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

সভায় জানানো হয়, পৃথক দুটি বিশেষজ্ঞ দল একটি ভেন্টিলেটর এবং একটি হাই-ফ্লো অক্সিজেন মেশিন তৈরি করেছে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষায় সফল হলে এগুলো দেশের হাসপাতালগুলোতে ব্যবহারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও রপ্তানির সুযোগ তৈরি হবে। দেশীয়ভাবে উৎপাদিত হওয়ায় বিদেশি যন্ত্রের তুলনায় কম খরচে এসব চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

বিশেষজ্ঞরা জানান, গুরুতর শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় ভেন্টিলেটর একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জীবনরক্ষাকারী যন্ত্র। আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করতে এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা নিয়ে আরও বিস্তৃত পরীক্ষা চালানো হবে।

অন্যদিকে, দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি হাই-ফ্লো অক্সিজেন মেশিনটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো এটি বিদ্যুৎ ছাড়াই পরিচালনা করা যায়। ফলে দুর্গম এলাকা, বিদ্যুৎবিহীন অঞ্চল কিংবা রোগী পরিবহনের সময় অ্যাম্বুলেন্সেও এটি কার্যকরভাবে ব্যবহার করা সম্ভব হবে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, এ ধরনের চিকিৎসা যন্ত্রের সফল উৎপাদন শুরু হলে বিদেশি প্রযুক্তির ওপর নির্ভরতা কমবে, স্বাস্থ্যসেবার ব্যয় হ্রাস পাবে এবং দেশের চিকিৎসা সরঞ্জাম শিল্পে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।

সভায় স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) প্রো-ভিসি ড. মুহাম্মদ শরীফুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।