নতুন করে আরও ৪টি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী
দেশের বিশাল মানবসম্পদকে দক্ষ ও কর্মক্ষম জনশক্তিতে রূপান্তর করতে কারিগরি শিক্ষার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন।
তিনি বলেছেন, প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার পাশাপাশি কারিগরি ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে শিক্ষাব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনা প্রয়োজন।
শনিবার (১ আগস্ট) সকালে ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কারিগরি শিক্ষাকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন। দেশের তরুণদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে কারিগরি শিক্ষার সুযোগ ও পরিধি আরও বাড়ানো হবে।
তিনি বলেন, শুধু প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার ওপর নির্ভর করে দেশের বিপুল মানবসম্পদকে পুরোপুরি কাজে লাগানো সম্ভব নয়। পরিবর্তিত বিশ্ব ও প্রযুক্তিনির্ভর কর্মবাজারের চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক ও কর্মমুখী দক্ষতায় গড়ে তুলতে হবে।
কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে দেশে নতুন করে চারটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, দেশের কারিগরি শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং দক্ষতা বিকাশে আন্তর্জাতিক সহযোগিতাও বাড়ানো হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের সময় বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়ন ও দক্ষতা উন্নয়নে চীনের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে।
জুলাইয়ের আন্দোলনের স্মৃতিচারণ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “জুলাইয়ের স্মৃতি কোনোদিন মুছে ফেলা যাবে না। দেশের জন্য যারা আত্মত্যাগ করেছেন, তাদের স্মৃতি ও অবদান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে।”
তিনি বলেন, দক্ষ মানবসম্পদই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের প্রধান শক্তি। তাই শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও কর্মমুখী, আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করে গড়ে তুলতে হবে।
দেশের তরুণদের দেশীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের উপযোগী করে গড়ে তুলতে কারিগরি শিক্ষা, ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ ও আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক দক্ষতার ওপর গুরুত্ব বাড়ানোর আহ্বান জানান শিক্ষামন্ত্রী।


