মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-হুইপদের দায়িত্ব বণ্টনের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে জামায়াতের ১১ এমপির রিট

অন্যান্য
মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-হুইপদের দায়িত্ব বণ্টনের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে জামায়াতের ১১ এমপির রিট
৩০ আগস্ট ২০২৬

সরকারের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপদের জেলাভিত্তিক দায়িত্ব বণ্টনের সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর ১১ সংসদ সদস্য।

রোববার (৩০ আগস্ট) রিট আবেদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন আবেদনকারীদের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। এ মামলায় মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।

আইনজীবী জানান, ২০০১ সালেও মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপদের একইভাবে জেলা ভাগ করে দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। ওই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে সে সময় হাইকোর্টে রিট হলে আদালত দায়িত্ব বণ্টনের ওই সিদ্ধান্তকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করেছিলেন।

সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

শিশির মনির বলেন, রুলস অব বিজনেস, সংবিধান এবং উচ্চ আদালতের পূর্ববর্তী রায়ের আলোকে এ ধরনের দায়িত্ব বণ্টনের সিদ্ধান্তের আইনগত ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তাঁর মতে, সিদ্ধান্তটি আইনগত কর্তৃত্বের বাইরে ও বেআইনি কি না, তা আদালতের মাধ্যমে নির্ধারণ করা প্রয়োজন।

রিটে আবেদনকারীরা জানতে চেয়েছেন, জেলা ভিত্তিকভাবে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপদের দায়িত্ব বণ্টনের এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার কোনো আইনগত কর্তৃত্ব রয়েছে কি না। একই সঙ্গে সিদ্ধান্তটি সংবিধান ও প্রচলিত আইনকানুনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, সে বিষয়েও আদালতের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়েছে।

রিটকারী ১১ সংসদ সদস্য

রিট আবেদনকারীরা হলেন—

  • পাবনা-১ আসনের সংসদ সদস্য মুহাম্মদ নাজিবুর রহমান
  • ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেম
  • রংপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. গোলাম রব্বানী
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. নুরুল ইসলাম
  • চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাসুদ পারভেজ
  • যশোর-১ আসনের সংসদ সদস্য মুহাম্মদ আজিজুর রহমান
  • বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মনজুরুল হক (রাহাদ)
  • পটুয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. শফিকুল ইসলাম
  • শেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. রাশেদুল ইসলাম রাশেদ
  • গাজীপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য সালাহ উদ্দিন
  • চট্টগ্রাম-১৬ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম

জেলা ভিত্তিক দায়িত্ব বণ্টনের সরকারি সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়ে এবার হাইকোর্টে এই রিটের মাধ্যমে বিচারিক পর্যালোচনার সুযোগ তৈরি হয়েছে।