কাকরাইলে জাপা ও গণঅধিকার পরিষদের মধ্যে সংঘর্ষ, অতিরিক্ত নিরাপত্তা মোতায়েন
রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টির (জাপা) কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে শুক্রবার সন্ধ্যায় জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের মধ্যে হঠাৎ করে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির সূচনা হয়, যা দ্রুতই ইট-পাটকেল নিক্ষেপে রূপ নেয়।
সংঘর্ষের খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্যসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়। রমনা থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে, তবে এখনো উত্তেজনা বিরাজ করছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, গণঅধিকার পরিষদ একটি মিছিল নিয়ে কাকরাইল অতিক্রম করছিল। ঠিক সেই সময় জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। এক পর্যায়ে উভয়পক্ষ ইট-পাটকেল ছুঁড়তে শুরু করে এবং ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া শুরু হয়।
ঘটনার পরপরই রমনা থানা পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উভয়পক্ষকে সরিয়ে দেয় এবং পরিস্থিতি শান্ত করে।
দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ
-
জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে অভিযোগ, গণঅধিকার পরিষদের কর্মীরা পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায় এবং পার্টি অফিস লক্ষ্য করে ইট নিক্ষেপ করে।
-
গণঅধিকার পরিষদের দাবি, তারা শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল করছিল, কিন্তু জাপা কার্যালয় থেকে উস্কানিমূলক আচরণ করা হয় ও তাদের ওপর ইট-পাটকেল ছোঁড়া হয়।
এই অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগে প্রকৃত দায় কার—তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
রমনা থানার পরিদর্শক (অপারেশন) আতিকুল আলম খন্দকার গণমাধ্যমকে জানান, “দুই দলের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার সময় ইটপাটকেল নিক্ষেপ হয়েছে। আমরা ঘটনাস্থলে আছি, বিস্তারিত পরে জানানো হবে।”
তবে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
নির্বাচনপূর্ব সময়ে রাজনৈতিক দলগুলোর রাজধানীতে অবস্থান এবং প্রকাশ্য কর্মসূচির সংখ্যা বেড়ে গেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, সংঘর্ষ এড়াতে রাজনৈতিক দলগুলোর কর্মসূচি সমন্বয় ও নিরাপত্তা পরিকল্পনা আরও শক্তিশালী করা জরুরি।


