এমন কোনো প্রতিশ্রুতি দিতে চাই না, যা ইহজগতে সম্ভব নয়: তারেক রহমান

রাজনীতি
এমন কোনো প্রতিশ্রুতি দিতে চাই না, যা ইহজগতে সম্ভব নয়: তারেক রহমান
নিউজ ডেস্ক
৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘বিএনপি সবসময় বিশ্বাস করে জনগণই সব ক্ষমতার উৎস। আমরা এমন কোনো প্রতিশ্রুতি দিতে চাই না, যা মানুষের সাধ্য ও ক্ষমতার বাইরে বা যা ইহজগতে সম্ভব নয়। যা মানুষের পক্ষে বাস্তবায়ন সম্ভব, এমন প্রতিশ্রুতিই দিচ্ছি।’

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর মিরপুর-১০ এর সেনপাড়া আদর্শ সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ লক্ষ্যে প্রতিটি গৃহিণীর কাছে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পৌঁছে দেওয়া হবে, যার মাধ্যমে সরকারিভাবে সহায়তা প্রদান করা হবে।

সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

তিনি আরও বলেন, দেশের প্রতিটি এলাকায় অন্তত একটি করে ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট স্থাপন করা হবে। এসব প্রতিষ্ঠানে ভাষা শিক্ষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তরুণরা স্বনির্ভর হয়ে উঠতে পারবে এবং বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে। প্রবাসে চাকরির জন্য যেন কাউকে জমি বিক্রি করতে না হয়, সে জন্য স্বল্প সুদে ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানান তিনি।

কৃষিখাত প্রসঙ্গে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, কৃষক ভালো থাকলেই দেশ ভালো থাকবে। এজন্য কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড চালু করা হবে এবং ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করা হবে। পাশাপাশি গ্রাম পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হেলথ কেয়ার কর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে।

ঢাকা-১৫ এলাকার উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, স্থানীয় জনগণের চিকিৎসা সুবিধার জন্য একটি হাসপাতাল স্থাপন করা হবে এবং দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা ১০০ ফিট রাস্তার কাজ দ্রুত শুরু করা হবে।

নারী ক্ষমতায়ন নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তারেক রহমান বলেন, দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া তার শাসনামলে নারীদের শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন, যার ফলে বর্তমানে দেশের মেয়েরা প্রথম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষার সুযোগ পাচ্ছে।

পথসভায় তিনি জুলাই আন্দোলনে আহত ও শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, তাদের অবদানের স্মরণে সামনে এগিয়ে গিয়ে একটি প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।