‘সমঝোতার নামে চাঁদাবাজিকে বৈধতা’ দেওয়ার বক্তব্যের নিন্দা জামায়াতে ইসলামীর
সড়কপরিবহন, রেল ও নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম-এর সাম্প্রতিক বক্তব্যকে কেন্দ্র করে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি অভিযোগ করেছে, ‘সমঝোতা’র নামে চাঁদাবাজিকে কার্যত বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এ নিন্দা জানান।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, চাঁদাবাজি একটি ফৌজদারি অপরাধ এবং এটি সমাজ, অর্থনীতি ও আইনের শাসনের জন্য মারাত্মক হুমকি। একজন দায়িত্বশীল মন্ত্রীর বক্তব্যে যদি এমন বার্তা যায় যে অবৈধ অর্থ আদায় বা অনৈতিক সমঝোতা গ্রহণযোগ্য, তবে তা রাষ্ট্রের নৈতিক অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুক– এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব
তিনি আরও বলেন, অপরাধকে ‘সমঝোতা’র আড়ালে বৈধতা দিলে তা অপরাধীদের উৎসাহিত করবে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাবে। এতে জনগণ ন্যায়বিচার, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা থেকে বঞ্চিত হবে।
জামায়াতে ইসলামী মনে করে, সরকারের দায়িত্ব হলো চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া। দলটির দাবি, মন্ত্রীকে তার বক্তব্য প্রত্যাহার করে দেশবাসীর কাছে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে হবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের মন্তব্য থেকে বিরত থাকতে হবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান আপসহীন। সরকার সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার কথাও উল্লেখ করা হয়।
একই সঙ্গে দেশবাসীকে ন্যায় ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার দাবিতে সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

