জামায়াত-এনসিপি থেকে সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন পাচ্ছেন যারা

রাজনীতি
জামায়াত-এনসিপি থেকে সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন পাচ্ছেন যারা
নিউজ ডেস্ক
২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এখন রাজনৈতিক অঙ্গনের আলোচনার কেন্দ্রে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন। ইতোমধ্যে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত এমপি ও মন্ত্রীরা শপথ নিয়েছেন। এবার বিভিন্ন দল সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসনে মনোনয়ন চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়ায় ব্যস্ত।

সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এককভাবে ২০৯টি আসনে জয় পাওয়ায় সংরক্ষিত নারী আসনের মধ্যে ৩৫টি পেতে যাচ্ছে।

অন্যদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১১টি আসন এবং জোটগতভাবে মোট ১৩টি আসন পেতে পারে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

দলটির একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা জানিয়েছেন, নারী এমপি মনোনয়নে অঞ্চলভিত্তিক প্রতিনিধিত্ব, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা ও দায়িত্বশীলতা গুরুত্ব পাবে। যেসব অঞ্চলে জামায়াতের সরাসরি নির্বাচিত এমপি নেই, সেখানকার নারী নেত্রীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হতে পারে।

জানা গেছে, জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের ৮৯ সদস্যের মধ্যে ২১ জন নারী রয়েছেন। সেখান থেকেই অধিকাংশ প্রার্থী চূড়ান্ত হতে পারেন। এছাড়া পেশাজীবী নারীদেরও বিবেচনায় রাখার চিন্তা রয়েছে।

দলীয় সূত্রে আলোচনায় থাকা সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন—
নুরুন্নিসা সিদ্দিকা, প্রকৌশলী মারদিয়া মমতাজ, ডা. আমিনা বেগম রহমান, শাহান আরা বেগম এবং ব্যারিস্টার সাবিকুন্নাহার মুন্নী।

এছাড়া সাঈদা রুম্মান, খন্দকার আয়েশা খাতুন, ডা. হাবিবা চৌধুরী সুইট, কাজী মারিয়া ইসলাম বেবি, রাবেয়া খানম, ডা. শিরিন আক্তার রুনা, তানহা আজমি, নার্গিস খান, কানিজ ফাতেমা, সেলিনা আক্তার ও আয়েশা সিদ্দিকা পারভীনের নামও আলোচনায় রয়েছে।

জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান–এর স্ত্রী ডা. আমিনা বেগম এর আগে সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি ছিলেন। পাশাপাশি দলের নায়েবে আমিরের স্ত্রী ডা. হাবিবা চৌধুরীর নামও আলোচনায় আছে।

জোটগতভাবে আরও দুটি নারী আসন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে ন্যাশনাল সিটিজেন্স পার্টি (এনসিপি)-এর নারী নেত্রীদের মনোনয়ন দেওয়া হতে পারে। আলোচনায় আছেন মনিরা শারমীন ও ডা. মাহমুদা মিতু।

জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জোবায়ের বলেছেন, সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন প্রক্রিয়া এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়নি। অতীতে দায়িত্ব পালনকারীদের অভিজ্ঞতা বিবেচনায় নেওয়া হবে এবং যোগ্য প্রার্থীদেরই মনোনয়ন দেওয়া হবে।

তিনি আরও জানান, দলীয় নারী নেতৃত্বের বাইরে বিভিন্ন পেশায় জাতীয় স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা নারীদেরও প্রাধান্য দেওয়ার চিন্তা রয়েছে।