নুরের ওপর হামলা, রাতেই বিক্ষোভের ডাক এনসিপির

রাজনীতি
নুরের ওপর হামলা, রাতেই বিক্ষোভের ডাক এনসিপির
নিউজ ডেস্ক
২৯ আগস্ট ২০২৫

রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর। তার ওপর ‘পরিকল্পিত বর্বর হামলার’ প্রতিবাদে শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টায় বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

এক ক্ষুদে বার্তায় এ কর্মসূচির ঘোষণা দেয় ঢাকা মহানগর এনসিপি।

বার্তায় বলা হয়,

সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

“ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম শীর্ষ নেতৃত্ব নুরুল হক নুরের ওপর আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যৌথভাবে যে হামলা চালিয়েছে, তা শুধু নুর নয় — গোটা গণতান্ত্রিক চেতনাকে আঘাত করেছে। এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই।”

এনসিপির দাবি, শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা এবং বিরোধী কণ্ঠ রোধে সরকারঘেঁষা শক্তিগুলো পরিকল্পিতভাবে সন্ত্রাসের আশ্রয় নিচ্ছে।

বিক্ষোভ কর্মসূচি

এর আগে সন্ধ্যায় কাকরাইল এলাকায় গণঅধিকার পরিষদের একটি মিছিলকে কেন্দ্র করে জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে সংঘর্ষ বাধে। এতে নুরুল হক নুর গুরুতর আহত হন। তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও গণঅধিকার পরিষদের নেতারা দাবি করছেন, তাদের শান্তিপূর্ণ মিছিলে পূর্বপরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়েছে।

নুরের রক্তাক্ত ছবি ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। তার সমর্থক ও বিভিন্ন ছাত্র-যুব সংগঠন এ ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।

পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি না দিলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে কাকরাইল এলাকায়। সংঘর্ষে উসকানিদাতাদের শনাক্তে ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ চলছে বলে জানিয়েছে একটি নিরাপত্তা সূত্র।

এনসিপি নেতারা বলেছেন,

“গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ভয়ভীতি ও হামলার মাধ্যমে বাধা সৃষ্টি করলে আরও বৃহত্তর প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।”

তারা সকল গণতন্ত্রকামী দল ও সংগঠনকে শুক্রবার রাতের বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান।

রাজনীতিতে ভিন্নমত ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষায় একের পর এক সংঘর্ষ ও দমন-পীড়নের ঘটনাগুলো প্রশ্নবিদ্ধ করছে দেশে গণতন্ত্রের বর্তমান অবস্থা। নুরুল হক নুরের ওপর হামলার প্রতিবাদে এনসিপির বিক্ষোভ কর্মসূচি কেবল ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ নয়, এটি এক বৃহত্তর রাজনীতির অংশ — যেখানে প্রশ্ন গণতন্ত্র বনাম দমন-পীড়নের।