কতটুকু সম্পদ থাকলে কোরবানি ওয়াজিব?

ধর্ম
কতটুকু সম্পদ থাকলে কোরবানি ওয়াজিব?
নিউজ ডেস্ক
৩ মে ২০২৬

ইসলামে কোরবানি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত, যা ত্যাগ ও আল্লাহভীতির প্রতীক। হজরত ইবরাহিম (আ.) ও তার পুত্র হজরত ইসমাইল (আ.)-এর আত্মত্যাগের ঘটনাকে স্মরণ করে প্রতি বছর মুসলমানরা কোরবানি আদায় করে থাকেন।

ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী, প্রাপ্তবয়স্ক ও সুস্থ মস্তিষ্কের এমন প্রত্যেক মুসলিম নারী-পুরুষের ওপর কোরবানি ওয়াজিব, যার কাছে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রয়োজনের অতিরিক্ত নেসাব পরিমাণ সম্পদ থাকে। এই সময়কাল হলো ১০ জিলহজ ফজর থেকে ১২ জিলহজ সূর্যাস্ত পর্যন্ত।

কোরবানির নেসাব নির্ধারণে হিসাব করা হয় সোনা, রুপা, নগদ অর্থ, অলংকার, ব্যবসায়িক পণ্য এবং প্রয়োজনের অতিরিক্ত সম্পদ। ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী, সাড়ে ৫২ তোলা রুপার সমমূল্যের সম্পদ থাকলেই কোরবানি ওয়াজিব হয়। অর্থাৎ কারও কাছে যদি এই পরিমাণ সম্পদ সরাসরি বা বিভিন্ন সম্পদের সমন্বয়ে থাকে, তবে তাকে কোরবানি দিতে হবে।

সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী, সাড়ে ৫২ তোলা রুপার মূল্য আনুমানিক ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকার মতো ধরা হলে, এই পরিমাণ বা তার বেশি সম্পদ থাকলে কোরবানি ওয়াজিব হবে। তবে এই হিসাব কোরবানির নির্ধারিত দিনগুলোর বাজারদরের ওপর নির্ভর করে কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে।

হাদিসে এসেছে, হজরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন—কোরবানির দিনের আমলগুলোর মধ্যে পশু কোরবানি আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয়। তাই সামর্থ্যবানদের জন্য এ ইবাদত যথাযথভাবে আদায় করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।