বহুবিবাহে সমতা বজায় রাখা ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ শর্ত
ইসলামে একাধিক বিয়ের অনুমতি থাকলেও এর জন্য কঠোরভাবে সমতা বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী, সব স্ত্রীর হক সমানভাবে আদায় করতে না পারলে একাধিক বিয়ে বৈধ নয়।
পবিত্র কোরআনের সুরা নিসায় আল্লাহ তাআলা বলেন, “তোমরা নারীদের মধ্যে যাদের ভালো লাগে তাদের বিয়ে করো—দুই, তিন কিংবা চারটি পর্যন্ত। তবে যদি আশঙ্কা কর যে সমান আচরণ করতে পারবে না, তাহলে একটিই।”
ইসলামি চিন্তাবিদরা বলছেন, একাধিক স্ত্রীর ক্ষেত্রে বাসস্থান, ভরণ-পোষণ, পোশাক এবং সময় বণ্টনে সমতা রক্ষা করা স্বামীর দায়িত্ব। কোনো স্ত্রীর প্রতি অবিচার করা গুরুতর গুনাহ হিসেবে বিবেচিত।
হাদিসে বর্ণিত আছে, যে ব্যক্তি একাধিক স্ত্রীর মধ্যে একজনের প্রতি বেশি ঝুঁকে পড়ে এবং ন্যায়বিচার করে না, কিয়ামতের দিন তাকে শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।
তবে স্বাভাবিকভাবে কারো প্রতি মনের টান বেশি হওয়া মানবিক বিষয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু সেই ভালোবাসার কারণে অন্য স্ত্রীর অধিকার ক্ষুণ্ন করা যাবে না।
এদিকে ইসলামি বিধান অনুযায়ী, দ্বিতীয় বিয়ের জন্য প্রথম স্ত্রীর অনুমতি বাধ্যতামূলক নয়। তবে পারিবারিক সৌহার্দ্য ও উত্তম আচরণের স্বার্থে স্ত্রীর সঙ্গে বিষয়টি আলোচনা করে সম্মতি নেওয়াকে নৈতিক দায়িত্ব হিসেবে দেখা হয়।


