প্রতিবেদন অনুযায়ী, লাদাখের তাংস্তে এলাকার দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে পুরোনো চিতা হেলিকপ্টারটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে একজন লেফটেন্যান্ট কর্নেল, একজন মেজর এবং সচিন মেহতা ছিলেন।
জানা গেছে, এক ইঞ্জিনবিশিষ্ট হেলিকপ্টারটি পরিচালনা করছিলেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল ও মেজর। যাত্রী হিসেবে ছিলেন তৃতীয় ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং মেজর জেনারেল সচিন মেহতা।
দুর্ঘটনার পর তিন কর্মকর্তার একটি সেলফি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়। ছবিতে তাদের বিধ্বস্ত হেলিকপ্টারের কাছাকাছি বসে থাকতে দেখা যায়। দুর্গম পাহাড়ি পরিবেশে এমন দুর্ঘটনা থেকে অক্ষত অবস্থায় বেরিয়ে আসাকে অনেকেই সৌভাগ্যজনক ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করছেন।
ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য জানানো হয়নি।
এদিকে দুর্ঘটনার পর আবারও চিতা হেলিকপ্টার বহরের নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। কয়েক দশক আগে বহরে যুক্ত হওয়া এই মডেলের হেলিকপ্টারগুলো এখনও ভারতের উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলে বিভিন্ন সামরিক ও সরবরাহ মিশনে ব্যবহৃত হচ্ছে।
সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, লাদাখের মতো উচ্চতাসম্পন্ন ও প্রতিকূল আবহাওয়ার এলাকায় উড্ডয়ন সবসময়ই ঝুঁকিপূর্ণ। ফলে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।