ইউক্রেনের সামরিক সরবরাহ ও বন্দর অবকাঠামোয় রাশিয়ার হামলা

ইউক্রেনের সামরিক সরবরাহ ও বন্দর অবকাঠামোয় রাশিয়ার হামলা
২৬ অক্টোবর ২০২৬

ইউক্রেনের সামরিক সরবরাহকেন্দ্র, জ্বালানি স্থাপনা ও বন্দর অবকাঠামো লক্ষ্য করে রাতভর ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে রাশিয়া। এসব হামলায় সামরিক সরঞ্জাম ও দ্বৈত ব্যবহারযোগ্য পণ্য সংরক্ষণের গুদাম এবং ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর জন্য সামরিক সরঞ্জাম বহনকারী একটি কার্গো জাহাজও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) রুশ বার্তা সংস্থা তাসের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি অনুযায়ী, ইউক্রেনের বিভিন্ন এলাকায় এসব হামলা চালানো হয়। রাশিয়ার দাবি, ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর অভিযানে সহায়তাকারী সরবরাহকেন্দ্র, সামরিক কার্যক্রমে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী জ্বালানি অবকাঠামো, বন্দর এবং সমুদ্রপথে ব্যবহৃত জাহাজগুলোকে লক্ষ্য করে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

বিবৃতিতে বলা হয়, ইউক্রেনের খারকিভ অঞ্চলের ওলশানি এলাকায় দূরপাল্লার ও মাঝারি পাল্লার ড্রোন এবং সেগুলোর যন্ত্রাংশ সংরক্ষণের একটি স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে। এ ছাড়া খারকিভ শহরের পিএস-৩৩০ জালিউতিনো বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে হামলার দাবি করেছে মস্কো। রুশ মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য, উপকেন্দ্রটি ইউক্রেনের সামরিক-শিল্প খাতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করত।

একইভাবে খমেলনিতস্কি অঞ্চলের কামিয়ানেতস-পোদিলস্কি শহরের পিএস-৩৩০ বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রেও হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে রাশিয়া। দেশটির দাবি, ওই উপকেন্দ্রটি বিভিন্ন সরবরাহ অবকাঠামোর কার্যক্রম সচল রাখতে সহায়তা করত।

এ ছাড়া ইউক্রেনের ওডেসা অঞ্চলের চেরনোমর্স্ক বন্দরের তিনটি অবকাঠামোতে হামলা চালানোর কথা জানিয়েছে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। একই এলাকায় ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর জন্য নির্ধারিত সামরিক সরঞ্জাম ও সামরিক-বেসামরিক উভয় কাজে ব্যবহারযোগ্য পণ্য রাখা চারটি গুদামেও হামলা চালানো হয়েছে বলে বিবৃতিতে দাবি করা হয়।

রুশ মন্ত্রণালয় আরও জানায়, ওডেসা বন্দরের দিকে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর জন্য সামরিক সরঞ্জাম নিয়ে যাওয়া একটি কার্গো জাহাজকে সমুদ্রে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।

তবে এসব হামলায় হতাহত কিংবা অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেয়নি রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। রাশিয়ার দাবির বিষয়ে ইউক্রেনের পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।