নির্মাণের পাঁচ বছর পরও চালু হয়নি ভৈরব ট্রমা সেন্টার
ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে কিশোরগঞ্জের ভৈরবে নির্মিত ২০ শয্যার আধুনিক ট্রমা সেন্টার ও হাসপাতাল পাঁচ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো চালু হয়নি। ফলে কিশোরগঞ্জ, নরসিংদী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও হবিগঞ্জ জেলার হাজারো মানুষ জরুরি চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৩৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫ একর ৬৬ শতাংশ জমির ওপর হাসপাতালটি নির্মাণ করা হয়। ২০২০ সালে নির্মাণ শেষ হওয়ার পর তিনতলা ভবনটি ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
হাসপাতালটিতে পুরুষ ও মহিলা ওয়ার্ড, অপারেশন থিয়েটার, বার্ন ইউনিট, ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার, ফার্মেসি, অ্যাম্বুলেন্স শেডসহ আধুনিক চিকিৎসাসেবার বিভিন্ন সুবিধা রয়েছে। তবে প্রশাসনিক অনুমোদন, জনবল নিয়োগ ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির অভাবে এখনো চিকিৎসাসেবা চালু করা সম্ভব হয়নি।
উপজেলা প্রকৌশলী ইশতিয়াক আহমেদ বলেন, ভবন নির্মাণ শেষে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হলেও এখনো কার্যক্রম শুরু হয়নি। দ্রুত অনুমোদন মিলবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
স্থানীয় শিক্ষাবিদ মো. শরীফ উদ্দিন আহমেদ বলেন, দুর্ঘটনায় আহত রোগীদের ঢাকায় নেওয়ার পথে অনেকেই মারা যান। দ্রুত ট্রমা সেন্টার চালু হলে বহু প্রাণ রক্ষা পাবে।
ভৈরব হাইওয়ে থানার ওসি সুমন কুমার চৌধুরী বলেন, মহাসড়কে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। ট্রমা সেন্টার চালু হলে আহতদের দ্রুত চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হবে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. কিশোর কুমার ধর জানান, হাসপাতালটি চালুর জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চিঠি পাঠানো হয়েছে। দ্রুত কার্যক্রম শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


