যাচাই-বাছাই করে রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহার করা হচ্ছে: আইনমন্ত্রী
রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত যেসব মামলা এখনও প্রত্যাহার হয়নি, সেগুলো আইনানুগ প্রক্রিয়ায় যাচাই-বাছাই করে পর্যায়ক্রমে প্রত্যাহার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়কমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে বাগেরহাট-৪ আসনের বিরোধী দলের সদস্য আব্দুল আলীমের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

আইনমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহারের জন্য জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওই কমিটির সুপারিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আইনমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন আরেকটি কমিটির কাছে আসে। সেখানে প্রতিটি মামলা আইনগতভাবে যাচাই-বাছাই করে প্রত্যাহারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুক– এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব
তিনি বলেন, প্রকৃত রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলাগুলো চিহ্নিত করে আইনসম্মত ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার।
সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের বিষয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, সরকার কোনো সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তির মামলা প্রত্যাহার করতে পারে না। কোনো মামলায় আপিল বিচারাধীন থাকলে আগে আপিল নিষ্পত্তি হতে হবে। এরপর ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারার আওতায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করতে পারবেন। বিষয়টি পরে আইন মন্ত্রণালয়ের মতামতের ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতির কাছে যাবে এবং আইন অনুযায়ী সাজার মওকুফ বা ক্ষমার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ীও রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনার সুযোগ রয়েছে। এ ক্ষেত্রেও নির্ধারিত আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। ফলে সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের মামলা প্রত্যাহারের সুযোগ না থাকলেও আইনে নির্ধারিত পদ্ধতিতে সাজার মওকুফ বা রাষ্ট্রপতির ক্ষমা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
এদিকে একই দিনে জাতীয় সংসদে ‘দ্য পাবলিক এক্সামিনেশন্স (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০২৬’ কণ্ঠভোটে পাস হয়।

